ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

শিক্ষককে মারধরের খবরে শিক্ষার্থীদের থানা ঘেরাও, ভাঙচুর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৯ ২৯২ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি; ময়মনসিংহে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক শেখ মো. শরিফুল আলমকে ট্রাফিক পুলিশ মারধর করায় বিক্ষোভ ও থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ালে রাবার বুলেট, টিয়ার সেল ও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে পুলিশ ও শিক্ষার্থীসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার সকালে শহরের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক শেখ মো. শরিফুল আলমের গাড়ির সঙ্গে একটি অটোরিকশার ধাক্কা লাগে। এতে রাস্তায় প্রচণ্ড জ্যামের সৃষ্টি হয়। পরে ট্রাফিক পুলিশ এসে ঘটনার মধ্যস্থতা করতে চাইলে ওই শিক্ষকের সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ওই পুলিশ সদস্য শিক্ষককে মারধর ও আটক করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যান।

এ ঘটনা কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বেশ কয়েকটি অটোরিকশা ভাঙচুর করে। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কোতোয়ালি মডেল থানা ও ২নং পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ সময় দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশ ও শিক্ষার্থীসহ ১৫ জন আহত হন।

আহত শিক্ষক শেখ মো. শরিফুল আলম বলেন, ওই অটোরিকাশার চালকের সঙ্গে আমার বাকবিতণ্ডার সময় যানজট সৃষ্টি হলে ওই ট্রাফিক পুলিশ এসে আমাকে ধাক্কা দেয়। আমি শিক্ষক পরিচয় দিয়ে তাকে ধাক্কা দেয়ার কারণ জানতে চাইলে সে আবারও আমাকে ধাক্কা দেয়। পরে আমিও তাকে ধাক্কা দিলে কয়েকজন পুলিশ এসে আমাকে মারধর করে ২নং পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। সেখানেও আমাকে গালমন্দ করে। পরে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আমাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে।

জেলা পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বলেন, ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে কলেজ শিক্ষকের বাকবিতণ্ডা ও মারধরের গুজবে শিক্ষার্থীরা বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর এবং ফাঁড়িতে হামলা করে। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও পুলিশ আহত হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

জেলা প্রশাসক ও কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, শিক্ষককে মারধরের ঘটনা শুনে আমি তাৎক্ষণিক কলেজে যাই। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

শিক্ষককে মারধরের খবরে শিক্ষার্থীদের থানা ঘেরাও, ভাঙচুর

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৯

জেলা প্রতিনিধি; ময়মনসিংহে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক শেখ মো. শরিফুল আলমকে ট্রাফিক পুলিশ মারধর করায় বিক্ষোভ ও থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ালে রাবার বুলেট, টিয়ার সেল ও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে পুলিশ ও শিক্ষার্থীসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার সকালে শহরের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক শেখ মো. শরিফুল আলমের গাড়ির সঙ্গে একটি অটোরিকশার ধাক্কা লাগে। এতে রাস্তায় প্রচণ্ড জ্যামের সৃষ্টি হয়। পরে ট্রাফিক পুলিশ এসে ঘটনার মধ্যস্থতা করতে চাইলে ওই শিক্ষকের সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ওই পুলিশ সদস্য শিক্ষককে মারধর ও আটক করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যান।

এ ঘটনা কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বেশ কয়েকটি অটোরিকশা ভাঙচুর করে। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কোতোয়ালি মডেল থানা ও ২নং পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ সময় দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশ ও শিক্ষার্থীসহ ১৫ জন আহত হন।

আহত শিক্ষক শেখ মো. শরিফুল আলম বলেন, ওই অটোরিকাশার চালকের সঙ্গে আমার বাকবিতণ্ডার সময় যানজট সৃষ্টি হলে ওই ট্রাফিক পুলিশ এসে আমাকে ধাক্কা দেয়। আমি শিক্ষক পরিচয় দিয়ে তাকে ধাক্কা দেয়ার কারণ জানতে চাইলে সে আবারও আমাকে ধাক্কা দেয়। পরে আমিও তাকে ধাক্কা দিলে কয়েকজন পুলিশ এসে আমাকে মারধর করে ২নং পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। সেখানেও আমাকে গালমন্দ করে। পরে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আমাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে।

জেলা পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বলেন, ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে কলেজ শিক্ষকের বাকবিতণ্ডা ও মারধরের গুজবে শিক্ষার্থীরা বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর এবং ফাঁড়িতে হামলা করে। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও পুলিশ আহত হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

জেলা প্রশাসক ও কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, শিক্ষককে মারধরের ঘটনা শুনে আমি তাৎক্ষণিক কলেজে যাই। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।