ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




সেচের সিরিয়াল নিয়ে বিবাদ গৌরীপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত শিশু হৃদয় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৯ ১৬ বার পড়া হয়েছে

মজিবুর,ময়মনসিংহ :

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সেচের সিরিয়াল নিয়ে বিবাদকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত শিশু হৃদয় (১৩) রাজধানীর আগারগাঁও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। শনিবার (১৯ জানুয়ারী) বিকালে গৌরীপুর উপজেলার মইলাকান্দা ইউপির গোবিন্দপুর বাজার সংলগ্ন স’মিলের সামনে স্থানীয় নেকবর আলী গং (৪৮) এর নেতৃত্বে এ অমানবিক হামলার ঘটনাটি ঘটে।

এতে আহতরা হলো মইলাকান্দা ইউনিয়নের বড় কালিহর গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে ৭ম শ্রেণির ছাত্র মো. হৃদয় মিয়া (১৩) ও ৫ম শ্রেণির ছাত্র জাহিদুল ইসলাম অন্তর (১০)।

হামলায় আহত দু’সহোদর শিশুর মাঝে অন্তর শঙ্কামুক্ত হলেও মাথায় জখমী হৃদয়ের অবস্থা আশংকাজনক। হৃদয়কে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রোববার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতে তাকে আগারগাঁও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

আহত শিশুদের বাবা সাইদুল ইসলাম জানান, শনিবার দুপুরে তার দুই ছেলে বোর ক্ষেতে সেচ দিতে যায়। এ সময় পানির সিরিয়াল নিয়ে নেকবর আলীর ছেলে সায়মনের (১৯) সঙ্গে তার দুই ছেলের কথা কাটাকাটি হয়।

এর জের ধরে বিকালে স্থানীয় গোবিন্দপুর বাজারে যাওয়ার সময় স’মিলের সামনে নেকবর আলী, তার দুই ছেলে মনজুল ও সায়মন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হৃদয় ও অন্তরের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় রামদা দিয়ে কুপিয়ে হৃদয়ের মাথায় রক্তাক্ত জখম ও অন্তরকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

সাইদুল ইসলাম আরো জানান, হৃদয়ের মাথায় প্রচুর রক্তকরন হওয়াতে বর্তমানে সে আগারগাঁও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

তিনি তার ছেলের সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

এদিকে অমানবিক শিশু হামলার বিচার দাবী করেছেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা ওয়াজিদুল ইসলাম কামালসহ আরো অনেকেই।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে নেকবর আলীর মোবাইল ফোনে কল করা হলে অন্য একজন রিসিভ করে জানান, নেকবর আলী বাড়িতে নেই। পরে একাধিকবার চেষ্টা করলেও আর রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




error: Content is protected !!

সেচের সিরিয়াল নিয়ে বিবাদ গৌরীপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত শিশু হৃদয় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে

আপডেট সময় : ১২:৪০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৯

মজিবুর,ময়মনসিংহ :

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সেচের সিরিয়াল নিয়ে বিবাদকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত শিশু হৃদয় (১৩) রাজধানীর আগারগাঁও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। শনিবার (১৯ জানুয়ারী) বিকালে গৌরীপুর উপজেলার মইলাকান্দা ইউপির গোবিন্দপুর বাজার সংলগ্ন স’মিলের সামনে স্থানীয় নেকবর আলী গং (৪৮) এর নেতৃত্বে এ অমানবিক হামলার ঘটনাটি ঘটে।

এতে আহতরা হলো মইলাকান্দা ইউনিয়নের বড় কালিহর গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে ৭ম শ্রেণির ছাত্র মো. হৃদয় মিয়া (১৩) ও ৫ম শ্রেণির ছাত্র জাহিদুল ইসলাম অন্তর (১০)।

হামলায় আহত দু’সহোদর শিশুর মাঝে অন্তর শঙ্কামুক্ত হলেও মাথায় জখমী হৃদয়ের অবস্থা আশংকাজনক। হৃদয়কে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রোববার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতে তাকে আগারগাঁও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

আহত শিশুদের বাবা সাইদুল ইসলাম জানান, শনিবার দুপুরে তার দুই ছেলে বোর ক্ষেতে সেচ দিতে যায়। এ সময় পানির সিরিয়াল নিয়ে নেকবর আলীর ছেলে সায়মনের (১৯) সঙ্গে তার দুই ছেলের কথা কাটাকাটি হয়।

এর জের ধরে বিকালে স্থানীয় গোবিন্দপুর বাজারে যাওয়ার সময় স’মিলের সামনে নেকবর আলী, তার দুই ছেলে মনজুল ও সায়মন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হৃদয় ও অন্তরের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় রামদা দিয়ে কুপিয়ে হৃদয়ের মাথায় রক্তাক্ত জখম ও অন্তরকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

সাইদুল ইসলাম আরো জানান, হৃদয়ের মাথায় প্রচুর রক্তকরন হওয়াতে বর্তমানে সে আগারগাঁও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

তিনি তার ছেলের সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

এদিকে অমানবিক শিশু হামলার বিচার দাবী করেছেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা ওয়াজিদুল ইসলাম কামালসহ আরো অনেকেই।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে নেকবর আলীর মোবাইল ফোনে কল করা হলে অন্য একজন রিসিভ করে জানান, নেকবর আলী বাড়িতে নেই। পরে একাধিকবার চেষ্টা করলেও আর রিসিভ করেননি।