ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মিরপুর বিআরটিএতে মালিকানা বদল সেবায় দালালচক্রের দৌরাত্ম্য: কাউন্টার কর্মকর্তাকে ঘিরে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ Logo স্বল্প বেতনে এলজিইডি গাড়িচালকের সম্পদের অট্টালিকা Logo পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে পরিচালক মীর সাজেদুর রহমানকে ঘিরে প্রশাসনিক অনিয়মের বিতর্ক Logo সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকার সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও বহাল পিডি নুরুল ইসলাম Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য

ভিডিও কনফারেন্সে মাইক পাইলে কেউ ছাড়তে চায় না: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন রিপোর্ট | 

ঢাকা বিভাগীয় জেলা প্রতিনিধিদের সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি জেলাগুলোর শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি ও জনপ্রতিনিধিদের আচরণে বিরক্তি প্রকাশ করে বলেছেন, মাইক পাইলে আর কেউ ছাড়তে চায় না।
ভিডিও কনফারেন্সে সময় স্বল্পতার কারণে উপস্থিতদের সবাই কথা বলার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। প্রতিনিধিদের মধ্যে যারা কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন, তারা কথা বলতে শুরু করলে আর থামতে চান না।
এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিরক্তি প্রকাশ করে বলেছেন, ‘মাইক পাইলে আর কেউ ছাড়তে চায় না।’
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলার প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলার সময় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
মুন্সিগঞ্জের বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলার সময় সেখানকার এক প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি যদি অনুমতি দেন, তাহলে আমাদের আরেকজন সংসদ সদস্য…।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আর সংসদ সদস্য দরকার নাই, যথেষ্ট হয়ে গেছে। আমি সাধারণ সম্পাদকের সাথে কথা বলতে চাই।’
তারপর ওই প্রতিনিধি বলেন, ‘তারপরও একটা কথা বলি।’ তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আর দরকার নাই, জাস্ট স্টপ ইট।’ তারপরও মুন্সিগঞ্জের ওই প্রতিনিধি বলেন, ‘আপনাকে একটি কথা শুধু জানিয়ে রাখি, আমাদের জেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সভাপতি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অসুস্থতার কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি। আপনার কাছে দোয়া প্রার্থনা করি।’
তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি, তিনি অসুস্থ। আমাদের সাধারণ সম্পাদক কথা বলতে পারেন। একটু সংক্ষেপে বলবেন। একবারে লম্বা বক্তৃতা দেয়ার জন্য বসি নাই এখানে। জাস্ট একটু কথা শোনার জন্য। মাইক পাইলে কেউ ছাড়তে চায় না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ভিডিও কনফারেন্সে মাইক পাইলে কেউ ছাড়তে চায় না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০

অনলাইন রিপোর্ট | 

ঢাকা বিভাগীয় জেলা প্রতিনিধিদের সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি জেলাগুলোর শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি ও জনপ্রতিনিধিদের আচরণে বিরক্তি প্রকাশ করে বলেছেন, মাইক পাইলে আর কেউ ছাড়তে চায় না।
ভিডিও কনফারেন্সে সময় স্বল্পতার কারণে উপস্থিতদের সবাই কথা বলার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। প্রতিনিধিদের মধ্যে যারা কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন, তারা কথা বলতে শুরু করলে আর থামতে চান না।
এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিরক্তি প্রকাশ করে বলেছেন, ‘মাইক পাইলে আর কেউ ছাড়তে চায় না।’
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলার প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলার সময় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
মুন্সিগঞ্জের বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলার সময় সেখানকার এক প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি যদি অনুমতি দেন, তাহলে আমাদের আরেকজন সংসদ সদস্য…।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আর সংসদ সদস্য দরকার নাই, যথেষ্ট হয়ে গেছে। আমি সাধারণ সম্পাদকের সাথে কথা বলতে চাই।’
তারপর ওই প্রতিনিধি বলেন, ‘তারপরও একটা কথা বলি।’ তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আর দরকার নাই, জাস্ট স্টপ ইট।’ তারপরও মুন্সিগঞ্জের ওই প্রতিনিধি বলেন, ‘আপনাকে একটি কথা শুধু জানিয়ে রাখি, আমাদের জেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সভাপতি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অসুস্থতার কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি। আপনার কাছে দোয়া প্রার্থনা করি।’
তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি, তিনি অসুস্থ। আমাদের সাধারণ সম্পাদক কথা বলতে পারেন। একটু সংক্ষেপে বলবেন। একবারে লম্বা বক্তৃতা দেয়ার জন্য বসি নাই এখানে। জাস্ট একটু কথা শোনার জন্য। মাইক পাইলে কেউ ছাড়তে চায় না।’