ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




ঢাকার ৩৫ ভাগ পরিবহন শ্রমিক মাদকাসক্ত: এনায়েত উল্লাহ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৮ ১৮ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেছেন, ঢাকা শহরের শতকরা ৩৫ ভাগ পরিবহন শ্রমিক মাদকাসক্ত। মাদকাসক্ত পরিবহন শ্রমিকরাই মূলত সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।
শনিবার গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি এর প্রতিকারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে এসব মাদকসেবী বাসচালকদের সনাক্ত করতে অনুরোধ করেন। পাশাপাশি অনেক মালিক পরিবহন শ্রমিকদের চুক্তিতে বাস চালাতে দেয়াকে দুঘর্টনার আরেকটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এ চুক্তির কারণে বেশি মুনাফার জন্য বাসগুলো সড়কে রেষারেষিতে লিপ্ত হয়। এতে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
এ পরিবহন মালিক বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ছাত্রদের দাবির সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। নিরাপত্তার অভাবে মালিক-শ্রমিকেরা ঢাকাসহ সারাদেশে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রেখেছে।

তবে খন্দকার এনায়েতুল্লাহ বলেন, ‘এটা আমাদের মালিক-শ্রমিকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ধর্মঘট নয়। মালিক-শ্রমিকদের কোনো সংগঠনের পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে গাড়ি বন্ধ রাখতে বলা হয়নি। শ্রমিকরা নিরাপদ বোধ করলেই গাড়ি চলবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ঢাকার ৩৫ ভাগ পরিবহন শ্রমিক মাদকাসক্ত: এনায়েত উল্লাহ

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৮

ঢাকা: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেছেন, ঢাকা শহরের শতকরা ৩৫ ভাগ পরিবহন শ্রমিক মাদকাসক্ত। মাদকাসক্ত পরিবহন শ্রমিকরাই মূলত সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।
শনিবার গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি এর প্রতিকারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে এসব মাদকসেবী বাসচালকদের সনাক্ত করতে অনুরোধ করেন। পাশাপাশি অনেক মালিক পরিবহন শ্রমিকদের চুক্তিতে বাস চালাতে দেয়াকে দুঘর্টনার আরেকটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এ চুক্তির কারণে বেশি মুনাফার জন্য বাসগুলো সড়কে রেষারেষিতে লিপ্ত হয়। এতে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
এ পরিবহন মালিক বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ছাত্রদের দাবির সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। নিরাপত্তার অভাবে মালিক-শ্রমিকেরা ঢাকাসহ সারাদেশে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রেখেছে।

তবে খন্দকার এনায়েতুল্লাহ বলেন, ‘এটা আমাদের মালিক-শ্রমিকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ধর্মঘট নয়। মালিক-শ্রমিকদের কোনো সংগঠনের পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে গাড়ি বন্ধ রাখতে বলা হয়নি। শ্রমিকরা নিরাপদ বোধ করলেই গাড়ি চলবে।’