ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ! Logo দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: কালবে সর্বোচ্চ পদ দখলে রেখেছে আগস্টিন! Logo আইআইএফসি ও মার্কটেল বাংলাদেশ’র মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী Logo সর্বজনীন পেনশন প্রত্যাহারে শাবি শিক্ষক সমিতি মৌন মিছিল ও কালোব্যাজ ধারণ Logo শাবিপ্রবিতে কুমিল্লা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo শাবিপ্রবি কেন্দ্রে সুষ্ঠভাবে গুচ্ছভর্তির তিন ইউনিটের পরীক্ষা সম্পন্ন




সিলেটকে হেসেখেলেই হারাল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জানুয়ারী ২০১৯ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

 

ক্রীড়া ডেস্কঃ ম্যাচের অর্ধেক পেরুতেই বলতে গেলে জয়টা নাগালের মধ্যে নিয়ে এসেছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তবে উইকেট যেমন বোলিং বান্ধব ছিল, তাতে দুশ্চিন্তাও ছিল কিছুটা। ১০ রানের মধ্যে তামিম ইকবাল আর এনামুল হক বিজয় জোড়া শূন্যতে সাজঘরে ফিরলে সে দুশ্চিন্তা আরও বাড়ে কুমিল্লার।

তবে লক্ষ্য মাত্র ৬৯ রানের। শুরুর ধাক্কা ঠিকই সামলে নিয়েছেন শামসুর রহমান শুভ আর ইমরুল কায়েস। তৃতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটিতে দলকে ৮ উইকেটের বড় জয় এনে দিয়েই মাঠ ছেড়েছেন তারা। শুভ ৩৪ আর ইমরুল ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে, দুর্দান্ত বোলিংয়ে ঘরের মাঠের সিলেট সিক্সার্সকে মাত্র ৬৮ রানেই গুটিয়ে দিয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

সিলেটের আসল ক্ষতিটা করেছেন অফস্পিনার মেহেদী হাসান। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই স্বাগতিক দলের ৩ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরের পথ দেখান তিনি। পরের সময়টায় সেই ক্ষতি আর পুষিয়ে উঠতে পারেনি সিলেট।

একটা সময় তো ২২ রানের মধ্যে ৭ উইকেট হারিয়ে বসেছিল ডেভিড ওয়ার্নারের দল। মনে হচ্ছিল, বিপিএলের ইতিহাসেরই সর্বনিন্ম স্কোরে অলআউট হবে সিলেট। কিন্তু অলক কাপালির দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বড় লজ্জা এড়িয়েছে স্বাগতিকরা।

বিপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডটি খুলনা টাইটান্সের। ২০১৬ সালে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে মাত্র ১০.৪ ওভারেই ৪৪ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল দলটি।

সিলেট তেমন লজ্জায় না পড়লেও ১৪.৫ ওভারের মধ্যে গুটিয়ে গেছে তাদের ইনিংস। এক অলক কাপালি ছাড়া দলের বাকি ব্যাটসম্যানদের কেউই দুই অংকের কোটা ছুঁতে পারেননি। কাপালি শেষ পর্যন্ত ৩১ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বল হাতে মেহেদী হাসান সবচেয়ে সফল। ৪ ওভারে ২২ রান খরচায় ৪টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। আর লোয়ার অর্ডারের ৩ উইকেট নিয়ে ওয়াহাব রিয়াজ শেষটা করেছেন। মাঝে ২টি উইকেট নেন লিয়াম ডসন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




সিলেটকে হেসেখেলেই হারাল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জানুয়ারী ২০১৯

 

ক্রীড়া ডেস্কঃ ম্যাচের অর্ধেক পেরুতেই বলতে গেলে জয়টা নাগালের মধ্যে নিয়ে এসেছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তবে উইকেট যেমন বোলিং বান্ধব ছিল, তাতে দুশ্চিন্তাও ছিল কিছুটা। ১০ রানের মধ্যে তামিম ইকবাল আর এনামুল হক বিজয় জোড়া শূন্যতে সাজঘরে ফিরলে সে দুশ্চিন্তা আরও বাড়ে কুমিল্লার।

তবে লক্ষ্য মাত্র ৬৯ রানের। শুরুর ধাক্কা ঠিকই সামলে নিয়েছেন শামসুর রহমান শুভ আর ইমরুল কায়েস। তৃতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটিতে দলকে ৮ উইকেটের বড় জয় এনে দিয়েই মাঠ ছেড়েছেন তারা। শুভ ৩৪ আর ইমরুল ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে, দুর্দান্ত বোলিংয়ে ঘরের মাঠের সিলেট সিক্সার্সকে মাত্র ৬৮ রানেই গুটিয়ে দিয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

সিলেটের আসল ক্ষতিটা করেছেন অফস্পিনার মেহেদী হাসান। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই স্বাগতিক দলের ৩ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরের পথ দেখান তিনি। পরের সময়টায় সেই ক্ষতি আর পুষিয়ে উঠতে পারেনি সিলেট।

একটা সময় তো ২২ রানের মধ্যে ৭ উইকেট হারিয়ে বসেছিল ডেভিড ওয়ার্নারের দল। মনে হচ্ছিল, বিপিএলের ইতিহাসেরই সর্বনিন্ম স্কোরে অলআউট হবে সিলেট। কিন্তু অলক কাপালির দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বড় লজ্জা এড়িয়েছে স্বাগতিকরা।

বিপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডটি খুলনা টাইটান্সের। ২০১৬ সালে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে মাত্র ১০.৪ ওভারেই ৪৪ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল দলটি।

সিলেট তেমন লজ্জায় না পড়লেও ১৪.৫ ওভারের মধ্যে গুটিয়ে গেছে তাদের ইনিংস। এক অলক কাপালি ছাড়া দলের বাকি ব্যাটসম্যানদের কেউই দুই অংকের কোটা ছুঁতে পারেননি। কাপালি শেষ পর্যন্ত ৩১ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বল হাতে মেহেদী হাসান সবচেয়ে সফল। ৪ ওভারে ২২ রান খরচায় ৪টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। আর লোয়ার অর্ডারের ৩ উইকেট নিয়ে ওয়াহাব রিয়াজ শেষটা করেছেন। মাঝে ২টি উইকেট নেন লিয়াম ডসন।