ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

কেন হলুদ খাবেন, কতটুকু খাবেন?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০ ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক;  বাঙালি রান্নার এক অনন্য উপকরণ হলুদ। যার ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই এ পর্যন্ত হয়ে আসছে। নিত্য দিনের রান্নায় হলুদ ব্যবহার করে না এমন মানুষ খুঁজেই পাওয়া যাবে না। রান্নায় এই মসলাজাতিও দ্রব্য শুধু রঙ তৈরি করে না বরং এর স্বাদও দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়।

হলুদের এমন অনেক গুনাগুণ আছে যা বলে শেষ করা যাবে না। দিনদিন হলুদের জনপ্রিয়তা বাড়ার কারণ- গবেষণায় হলুদের ইতিবাচক প্রভাব। হলুদের মধ্যে থাকা কারকুমিন বিভিন্ন অসুখ বিসুখের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক অন্যতম হাতিয়ার।

গবেষণা বলছে, হলুদ ব্যবহারে প্রদাহরোধী উপকার পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু শরীর থেকে প্রদাহ বা ব্যথা কমাতে কতটুকু হলুদ ব্যবহার করা উচিত? বিশেষজ্ঞদের মতে, হলুদ ব্যবহারের সর্বোত্তম ও নিরাপদ পরিমাণ নির্ভর করে কিছু বিষয়ের ওপর।

হলুদ গ্রহণের ভিন্ন কিছু উপায় রয়েছে। হলুদের গুঁড়া, হলুদের নির্যাস ও কারকামিন সাপ্লিমেন্ট হচ্ছে হলুদের প্রচলিত ব্যবহার। কারকামিন হলো হলুদের প্রধান সক্রিয় উপাদান যা হলুদকে প্রদাহনাশক ক্ষমতা দিয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ফুড ইনফরমেশন কাউন্সিল ফাউন্ডেশনের পুষ্টি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আলি ওয়েবস্টার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘হলুদের নির্যাস ও কারকামিন সাপ্লিমেন্টে বেশি মাত্রায় কারকামিন থাকে। ব্যথা কমাতে শুকনো হলুদের চেয়ে এগুলো বেশি কার্যকরী।

আমেরিকার আর্থ্রাইটিস ফাউন্ডেশন প্রদাহ বা ব্যথা কমাতে প্রতিদিন তিনটি করে ৪০০ থেকে ৬০০ মিলিগ্রাম টারমারিক ক্যাপসুল অথবা অর্ধ থেকে তিন গ্রাম হলুদের গুঁড়া ব্যবহার করতে পরামর্শ দিচ্ছে। জার্নাল অব মেডিসিনাল ফুডে প্রকাশিত গবেষণা মতে, আর্থ্রাইটিস বা বাতের রোগীরা প্রতিদিন এক গ্রাম কারকামিন খেয়ে উপকার পেতে পারেন।

মনে রাখতে হবে, শরীর হলুদ ভালোভাবে শোষণ করতে পারে না। এ কারণে হলুদের সঙ্গে গোল মরিচ ও অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। সাধারণত রান্নায় যে পরিমাণ হলুদ ব্যবহার করা হয় তা নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না। কিন্তু অত্যধিক পরিমাণে হলুদ খেলে পেটে অস্বস্তিকর অনুভূতি, মাথাঘোরা, বমিভাব ও ডায়রিয়া হতে পারে।

কিছু রক্ত তরলকারী ওষুধ রয়েছে। ভুলেও এই ওষুধের সঙ্গে হলুদ খাবেন না। তাহলে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে। তবে প্রদাহজনিত সমস্যা থাকলে প্রতিদিনকার রেসিপিতে এখন থেকে হলুদের গুঁড়া আরেকটু বাড়িয়ে নিতে পারেন। তবে এর আগে অবশ্যই পরিমাণ চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিতে ভুলবেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

কেন হলুদ খাবেন, কতটুকু খাবেন?

আপডেট সময় : ০২:১৭:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০

লাইফস্টাইল ডেস্ক;  বাঙালি রান্নার এক অনন্য উপকরণ হলুদ। যার ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই এ পর্যন্ত হয়ে আসছে। নিত্য দিনের রান্নায় হলুদ ব্যবহার করে না এমন মানুষ খুঁজেই পাওয়া যাবে না। রান্নায় এই মসলাজাতিও দ্রব্য শুধু রঙ তৈরি করে না বরং এর স্বাদও দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়।

হলুদের এমন অনেক গুনাগুণ আছে যা বলে শেষ করা যাবে না। দিনদিন হলুদের জনপ্রিয়তা বাড়ার কারণ- গবেষণায় হলুদের ইতিবাচক প্রভাব। হলুদের মধ্যে থাকা কারকুমিন বিভিন্ন অসুখ বিসুখের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক অন্যতম হাতিয়ার।

গবেষণা বলছে, হলুদ ব্যবহারে প্রদাহরোধী উপকার পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু শরীর থেকে প্রদাহ বা ব্যথা কমাতে কতটুকু হলুদ ব্যবহার করা উচিত? বিশেষজ্ঞদের মতে, হলুদ ব্যবহারের সর্বোত্তম ও নিরাপদ পরিমাণ নির্ভর করে কিছু বিষয়ের ওপর।

হলুদ গ্রহণের ভিন্ন কিছু উপায় রয়েছে। হলুদের গুঁড়া, হলুদের নির্যাস ও কারকামিন সাপ্লিমেন্ট হচ্ছে হলুদের প্রচলিত ব্যবহার। কারকামিন হলো হলুদের প্রধান সক্রিয় উপাদান যা হলুদকে প্রদাহনাশক ক্ষমতা দিয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ফুড ইনফরমেশন কাউন্সিল ফাউন্ডেশনের পুষ্টি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আলি ওয়েবস্টার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘হলুদের নির্যাস ও কারকামিন সাপ্লিমেন্টে বেশি মাত্রায় কারকামিন থাকে। ব্যথা কমাতে শুকনো হলুদের চেয়ে এগুলো বেশি কার্যকরী।

আমেরিকার আর্থ্রাইটিস ফাউন্ডেশন প্রদাহ বা ব্যথা কমাতে প্রতিদিন তিনটি করে ৪০০ থেকে ৬০০ মিলিগ্রাম টারমারিক ক্যাপসুল অথবা অর্ধ থেকে তিন গ্রাম হলুদের গুঁড়া ব্যবহার করতে পরামর্শ দিচ্ছে। জার্নাল অব মেডিসিনাল ফুডে প্রকাশিত গবেষণা মতে, আর্থ্রাইটিস বা বাতের রোগীরা প্রতিদিন এক গ্রাম কারকামিন খেয়ে উপকার পেতে পারেন।

মনে রাখতে হবে, শরীর হলুদ ভালোভাবে শোষণ করতে পারে না। এ কারণে হলুদের সঙ্গে গোল মরিচ ও অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। সাধারণত রান্নায় যে পরিমাণ হলুদ ব্যবহার করা হয় তা নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না। কিন্তু অত্যধিক পরিমাণে হলুদ খেলে পেটে অস্বস্তিকর অনুভূতি, মাথাঘোরা, বমিভাব ও ডায়রিয়া হতে পারে।

কিছু রক্ত তরলকারী ওষুধ রয়েছে। ভুলেও এই ওষুধের সঙ্গে হলুদ খাবেন না। তাহলে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে। তবে প্রদাহজনিত সমস্যা থাকলে প্রতিদিনকার রেসিপিতে এখন থেকে হলুদের গুঁড়া আরেকটু বাড়িয়ে নিতে পারেন। তবে এর আগে অবশ্যই পরিমাণ চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিতে ভুলবেন না।