ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিআরটিসিতে দুর্নীতির বরপুত্র চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা Logo শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় Logo বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি! Logo ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস্ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটির কম্বল ও খাবার বিতরন Logo বাংলাদেশে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন Logo নাগরিক শোকসভা কাল: সঙ্গে আনতে হবে আমন্ত্রণপত্র Logo উত্তরায় হোটেলে চাঁদা চাওয়ায় সাংবাদিককে গণধোলাই Logo ৩০ লক্ষ টাকায় বনানী ক্লাবের সদস্য হওয়া দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকিরের পুনর্বাসন Logo চমেকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করল দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন Logo তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক-সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

হাড়কাঁপানো শীত থাকবে আরও দুই দিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

হাড়কাঁপানো শীত থাকবে আরও দুই দিন

অনলাইন রিপোর্ট |

নেপাল থেকে ভারতের বিহার হয়ে বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঘন কুয়াশা ছড়িয়ে পড়েছে। এই কুয়াশার সঙ্গে দেশের সাতটি জেলা রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশা থাকতে পারে আরও দুই দিন।
ঘন কুয়াশার কারণে দুই দিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকায় সূর্যের আলো ভূমিতে পৌঁছাচ্ছে না। এর ফলে তাপমাত্রা দুই দিনের ব্যবধানে চার থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে গেছে। তীব্র শীতে কষ্ট পাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ, আবার মাঠের ফসলের জন্য বিপদ ডেকে এনেছে ঘন কুয়াশা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আজ শুক্রবারের মধ্যে শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার দাপট দেশের আরও কয়েকটি জেলায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।
তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গিয়ে শীতের দাপট আরও বাড়তে পারে। শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে ও নদীতীরবর্তী এলাকায় ঘন কুয়াশা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে দেশের সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মাঠে থাকা বোরো ধানের বীজতলা, আলু ও সরিষার চারা কুয়াশার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসায় শীতের অনুভূতি আগামী দু-তিন দিন বেশি থাকবে। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া রাজশাহী, ঈশ্বরদী, কুড়িগ্রাম ও যশোরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলিসিয়াসের মধ্যে ছিল। এসব এলাকায় তীব্র শীতের দাপটে মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
এদিকে মাঠের ফসল রক্ষায় কৃষি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বোরো ধানের বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখে ও রাতে সেচ দিয়ে ভোরে সেই পানি সরিয়ে ফেলতে। এ ধরনের আবহাওয়ায় ধানে পোকার আক্রমণ ও আলুতে রোগ রোগ দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বলেন, আগামী দুই দিন দেশের বেশির ভাগ জেলায় তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়বে। তবে মাসের শেষের দিকে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

হাড়কাঁপানো শীত থাকবে আরও দুই দিন

আপডেট সময় : ১০:১৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৯

অনলাইন রিপোর্ট |

নেপাল থেকে ভারতের বিহার হয়ে বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঘন কুয়াশা ছড়িয়ে পড়েছে। এই কুয়াশার সঙ্গে দেশের সাতটি জেলা রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশা থাকতে পারে আরও দুই দিন।
ঘন কুয়াশার কারণে দুই দিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকায় সূর্যের আলো ভূমিতে পৌঁছাচ্ছে না। এর ফলে তাপমাত্রা দুই দিনের ব্যবধানে চার থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে গেছে। তীব্র শীতে কষ্ট পাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ, আবার মাঠের ফসলের জন্য বিপদ ডেকে এনেছে ঘন কুয়াশা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আজ শুক্রবারের মধ্যে শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার দাপট দেশের আরও কয়েকটি জেলায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।
তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গিয়ে শীতের দাপট আরও বাড়তে পারে। শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে ও নদীতীরবর্তী এলাকায় ঘন কুয়াশা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে দেশের সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মাঠে থাকা বোরো ধানের বীজতলা, আলু ও সরিষার চারা কুয়াশার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসায় শীতের অনুভূতি আগামী দু-তিন দিন বেশি থাকবে। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া রাজশাহী, ঈশ্বরদী, কুড়িগ্রাম ও যশোরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলিসিয়াসের মধ্যে ছিল। এসব এলাকায় তীব্র শীতের দাপটে মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
এদিকে মাঠের ফসল রক্ষায় কৃষি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বোরো ধানের বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখে ও রাতে সেচ দিয়ে ভোরে সেই পানি সরিয়ে ফেলতে। এ ধরনের আবহাওয়ায় ধানে পোকার আক্রমণ ও আলুতে রোগ রোগ দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বলেন, আগামী দুই দিন দেশের বেশির ভাগ জেলায় তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়বে। তবে মাসের শেষের দিকে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।