ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মিরপুর বিআরটিএতে মালিকানা বদল সেবায় দালালচক্রের দৌরাত্ম্য: কাউন্টার কর্মকর্তাকে ঘিরে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ Logo স্বল্প বেতনে এলজিইডি গাড়িচালকের সম্পদের অট্টালিকা Logo পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে পরিচালক মীর সাজেদুর রহমানকে ঘিরে প্রশাসনিক অনিয়মের বিতর্ক Logo সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকার সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও বহাল পিডি নুরুল ইসলাম Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রিয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের ‘আয়শা আপা’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক; 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক পদমর্যাদার চিকিৎসক কর্মদক্ষতা ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, দুর্ঘটনা, ঘুর্ণিঝড় যেকোনো রোগব্যাধি কিংবা দুর্যোগে আক্রান্তদের ব্যাপারে সঠিক পরিসংখ্যান সরবরাহের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার কাছে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

দুর্যোগকালীন নির্ধারিত সরকারি কর্মঘণ্টার বাইরেও কর্মস্থলে সময় কাটাচ্ছেন। গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ইতিবাচক সংবাদ প্রচারেরও পরোক্ষ ভূমিকা পালন করছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভিন্ন কার্যক্রমের তথ্য উপাত্তের প্রয়োজনে গণমাধ্যম কর্মীদের ভরসাস্থল হয়ে উঠেছেন তিনি।

রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদফতরে কর্মরত এই চিকিৎসকের নাম ডা. আয়শা আক্তার। তিনি অধিদফতরের হেলথ ইর্মাজেন্সি অপারেশনস সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক পদে কর্মরত। চলতি বছর রাজধানীসহ সারা দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেওয়ার পর থেকেই গণমাধ্যমকর্মীরা পেশাগত প্রয়োজনে তার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন।

রাজধানী ও রাজধানীর বাইরের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গুতে প্রতিদিন নতুন করে কতজন নারী, পুরুষ ও শিশু আক্রান্ত হয়েছেন, কতজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, কতজন রিলিজ পেয়েছেন কিংবা কতজন মারা গেছেন- প্রতিবেদন তৈরির জন্য এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের প্রধান হিসেবে তিনিই তার টিমের সদস্যদের সাথে নিয়ে সংগ্রহ করে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে সরবরাহ করেন।

বিগত বছরগুলোতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের তথ্য-উপাত্তের সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীদের তথ্য-উপাত্তের বিশাল ফারাক নিয়ে নানা প্রশ্নে উঠলেও ডা. আয়শা একদিকে যেমন কঠোর পরিকশ্রম করে সারা দেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন তেমনি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকেও তথ্য পেয়ে তা সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে যোগাযোগ করে তথ্যের সমন্বয় করেছেন। ডেঙ্গু দুর্যোগের সময় বিদেশে প্রশিক্ষণে যাওয়ার সুযোগ পেলেও নিজের তাগিদেই তা বাতিল করেছেন।

সর্বশেষ দু’দিন আগেও ঘুর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর সময়ও তিনি সকাল থেকে রাত অবধি স্বাস্থ্য অধিদফতরের সার্বিক প্রস্তুতি উপদ্রুত এলাকার মেডিকেল টিম, আশ্রয় কেন্দ্র, আহত ও নিহতদের সর্বশেষ তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে দ্রুত সরবরাহ করেছেন।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে ডা. আয়শা আক্তার বলেন, নিজেদের পেশাগত দায়িত্বপালনের অংশ হিসেবেই বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের জুনিয়র ও সিনিয়র কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপিত হয়। তার টিমের সকলের প্রচেষ্টায় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তিনি যেমন গণমাধ্যম কর্মীদের তথ্য সরবরাহ করেন তেমনি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকেও তারা তথ্য পান। গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করতে পেরে তিনি খুশী ও আনন্দিত বলে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রিয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের ‘আয়শা আপা’

আপডেট সময় : ১১:৫১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক; 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক পদমর্যাদার চিকিৎসক কর্মদক্ষতা ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, দুর্ঘটনা, ঘুর্ণিঝড় যেকোনো রোগব্যাধি কিংবা দুর্যোগে আক্রান্তদের ব্যাপারে সঠিক পরিসংখ্যান সরবরাহের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার কাছে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

দুর্যোগকালীন নির্ধারিত সরকারি কর্মঘণ্টার বাইরেও কর্মস্থলে সময় কাটাচ্ছেন। গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ইতিবাচক সংবাদ প্রচারেরও পরোক্ষ ভূমিকা পালন করছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভিন্ন কার্যক্রমের তথ্য উপাত্তের প্রয়োজনে গণমাধ্যম কর্মীদের ভরসাস্থল হয়ে উঠেছেন তিনি।

রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদফতরে কর্মরত এই চিকিৎসকের নাম ডা. আয়শা আক্তার। তিনি অধিদফতরের হেলথ ইর্মাজেন্সি অপারেশনস সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক পদে কর্মরত। চলতি বছর রাজধানীসহ সারা দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেওয়ার পর থেকেই গণমাধ্যমকর্মীরা পেশাগত প্রয়োজনে তার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন।

রাজধানী ও রাজধানীর বাইরের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গুতে প্রতিদিন নতুন করে কতজন নারী, পুরুষ ও শিশু আক্রান্ত হয়েছেন, কতজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, কতজন রিলিজ পেয়েছেন কিংবা কতজন মারা গেছেন- প্রতিবেদন তৈরির জন্য এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের প্রধান হিসেবে তিনিই তার টিমের সদস্যদের সাথে নিয়ে সংগ্রহ করে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে সরবরাহ করেন।

বিগত বছরগুলোতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের তথ্য-উপাত্তের সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীদের তথ্য-উপাত্তের বিশাল ফারাক নিয়ে নানা প্রশ্নে উঠলেও ডা. আয়শা একদিকে যেমন কঠোর পরিকশ্রম করে সারা দেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন তেমনি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকেও তথ্য পেয়ে তা সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে যোগাযোগ করে তথ্যের সমন্বয় করেছেন। ডেঙ্গু দুর্যোগের সময় বিদেশে প্রশিক্ষণে যাওয়ার সুযোগ পেলেও নিজের তাগিদেই তা বাতিল করেছেন।

সর্বশেষ দু’দিন আগেও ঘুর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর সময়ও তিনি সকাল থেকে রাত অবধি স্বাস্থ্য অধিদফতরের সার্বিক প্রস্তুতি উপদ্রুত এলাকার মেডিকেল টিম, আশ্রয় কেন্দ্র, আহত ও নিহতদের সর্বশেষ তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে দ্রুত সরবরাহ করেছেন।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে ডা. আয়শা আক্তার বলেন, নিজেদের পেশাগত দায়িত্বপালনের অংশ হিসেবেই বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের জুনিয়র ও সিনিয়র কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপিত হয়। তার টিমের সকলের প্রচেষ্টায় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তিনি যেমন গণমাধ্যম কর্মীদের তথ্য সরবরাহ করেন তেমনি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকেও তারা তথ্য পান। গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করতে পেরে তিনি খুশী ও আনন্দিত বলে জানান।