ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকার সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও বহাল পিডি নুরুল ইসলাম Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য Logo ঠিকাদারের মুখোশে ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা লুটের অভিযোগ Logo জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: সালাম

খাশোগির পর আরেক সাংবাদিককে হত্যা করেন সৌদি যুবরাজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯ ২৫২ বার পড়া হয়েছে

খাশোগির পর আরেক সাংবাদিককে হত্যা করেন সৌদি যুবরাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;
সৌদি আরব আরও একজন ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিককে পুলিশ হেফাজতে হত্যা করেছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা তথ্যের সাহায্যে ওই সাংবাদিককে আটক করে সৌদি সরকার।
ব্রিটিশ পত্রিকা ডেইলি মেট্রো এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৮ সালের মার্চ মাসে ভিন্ন মতাবলম্বীর সাংবাদিক তুর্কি বিন আব্দুল আজিজ জাসেরকে আটক করা হয়। ব্রিটিশ পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের সাংবাদিক মানবাধিকার লঙ্ঘনে সৌদি সরকার ও রাজপরিবারের ভূমিকার কথা জাসের তার টুইটার অ্যাকাউন্টে তুলে ধরতেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, টুইটারের একটি ফেইক আইডি থেকে জাসের সম্পর্কে তথ্য ফাঁস করে দেয়া হয় এবং ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে বন্দী অবস্থায় তাকে হত্যা করা হয়।
ওই সূত্র বলছে, টুইটারের দুবাই অফিস থেকে সৌদি কর্তৃপক্ষ জাসের সম্পর্কে তথ্য পায় এবং এরপরই তাকে আটক করে। ওই সূত্রের তথ্য মতে, ভিন্ন মতাবলম্বী বা সমালোচকদের জন্য টুইটার এখন বিপজ্জনক ও অনিরাপদ একটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। সবাই এখন ঝুঁকি এবং চাপের মুখেই কথা বলেন। সৌদি আরবের নাগরিকদের টুইটার অ্যাকাউন্টের ওপরে গুপ্তচরবৃত্তি করা হয়। আমরা টুইটার ব্যবহারকারীরা এখন আর মোটেই নিরাপদ নই।
সূত্রটি জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের সাবেক উপদেষ্টা সাউদ আল-কাহতানি একটি সাইবার গুপ্তচর চক্র গড়ে তোলেন এবং তারাই টুইটারের দুবাই অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সৌদি আরবের প্রখ্যাত সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর কাহানিকে উপদেষ্টার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

খাশোগির পর আরেক সাংবাদিককে হত্যা করেন সৌদি যুবরাজ

আপডেট সময় : ১১:৩৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;
সৌদি আরব আরও একজন ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিককে পুলিশ হেফাজতে হত্যা করেছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা তথ্যের সাহায্যে ওই সাংবাদিককে আটক করে সৌদি সরকার।
ব্রিটিশ পত্রিকা ডেইলি মেট্রো এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৮ সালের মার্চ মাসে ভিন্ন মতাবলম্বীর সাংবাদিক তুর্কি বিন আব্দুল আজিজ জাসেরকে আটক করা হয়। ব্রিটিশ পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের সাংবাদিক মানবাধিকার লঙ্ঘনে সৌদি সরকার ও রাজপরিবারের ভূমিকার কথা জাসের তার টুইটার অ্যাকাউন্টে তুলে ধরতেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, টুইটারের একটি ফেইক আইডি থেকে জাসের সম্পর্কে তথ্য ফাঁস করে দেয়া হয় এবং ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে বন্দী অবস্থায় তাকে হত্যা করা হয়।
ওই সূত্র বলছে, টুইটারের দুবাই অফিস থেকে সৌদি কর্তৃপক্ষ জাসের সম্পর্কে তথ্য পায় এবং এরপরই তাকে আটক করে। ওই সূত্রের তথ্য মতে, ভিন্ন মতাবলম্বী বা সমালোচকদের জন্য টুইটার এখন বিপজ্জনক ও অনিরাপদ একটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। সবাই এখন ঝুঁকি এবং চাপের মুখেই কথা বলেন। সৌদি আরবের নাগরিকদের টুইটার অ্যাকাউন্টের ওপরে গুপ্তচরবৃত্তি করা হয়। আমরা টুইটার ব্যবহারকারীরা এখন আর মোটেই নিরাপদ নই।
সূত্রটি জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের সাবেক উপদেষ্টা সাউদ আল-কাহতানি একটি সাইবার গুপ্তচর চক্র গড়ে তোলেন এবং তারাই টুইটারের দুবাই অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সৌদি আরবের প্রখ্যাত সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর কাহানিকে উপদেষ্টার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।