ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

সুবিধাভুগী সাংবাদিককে নিয়ে বোমা ফাটালেন শাবান মাহমুদ!  

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯ ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ 

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) মহাসচিব শাবান মাহমুদ আজ এক সুবিধাবাদী সাংবাদিককে নিয়ে তার ফেইসবুক ওয়ালে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বোমা ফাটালেন। এ নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাব সহ সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠনগুলোতে আলোচনার ঝড় উঠেছে। তবে তিনি ফেইসবুক স্ট্যাটাসে কারো নাম উল্লেখ না করলেও অনেকেরই বুঝার বাকী নেই কাকে নিয়ে স্ট্যাটাসটি দেওয়া হয়েছে।

শাবান মাহমুদ তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, সাংবাদিকতা করি গত ৩০ বছর। চ্যালেঞ্জিং এ পেশা আমার ভাল লাগে। ইচ্ছে করলে রাজনীতি করতে পারতাম সূযোগ ছিলো। ছাত্রলীগ, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলাম। বিএনপি – জামাত সরকারের আমলে চাকরীচ্যুত হয়েছিলাম শেখ হাসিনার সরকারের আমলে বিটিভিতে নিয়োগ পাওয়ার অপরাধে। তারপর পেশায় টিকে থাকতে অনেক সংগ্রাম।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের শ্রদ্ধেয় সম্পাদক নঈম নিজাম, নাইমুল ইসলাম খান আর শ্রদ্ধেয় সৈয়দ বোরহান কবীর সে সময়ে সাহস জুগিয়েছেন পাশে ছিলেন । কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি বার বার সাংবাদিকদের ভোটে সংগঠনের শীর্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছি। সাংবাদিকদের কাছেও কৃতজ্ঞতা।

তিনি তার স্ট্যাটাসে আরো উল্লেখ করেন, কোন সাংবাদিক ভাল থাকলে ভাল লাগে। খারাপ থাকলে কষ্ট হয়। সাংবাদিকদের নিয়ে খারাপ কিছু লিখতে পারি না, ভাল খবর জানতে চাই। তবে আজ একজন সাংবাদিককে নিয়ে কিছু বলতে চাই। যিনি রাজধানীতে দুটি ফ্লাটের মালিক। কাজ করেন একটি জাতীয় দৈনিকে। শুনেছি জীবনে কোনদিন বেতনের টাকায় হাত দেন না। অন্যের কাছ থেকে চেয়ে চলা তার অভ্যাস।

তিনি উল্লেখ করেন, ইদানীং তার নীতিবাক্য ফেসবুক স্ট্যাটাসে দেখতে দেখতে রীতিমতো ক্লান্ত। আর একটা কথা বলে আজ শেষ করবো, যার কথা বলছি তিনি একবার ভারতে চিকিৎসা করতে যাবেন। আমি অশোক চৌধুরী দাদাকে বললাম সাহায্য করতে হবে, দাদা তাকে ডেকে ৫০ হাজার টাকা দিলেন। একবার এক সাংবাদিক তার মায়ের চিকিৎসার জন্য খুব বিপদে। স্নেহভাজন সাংবাদিক অপর এক সাংবাদিকের মায়ের চিকিৎসার জন্য সম্রাটের কাছ থেকে এক লাখ টাকার সাহায্য এনে দিলেন। সম্রাটের বিরুদ্ধে ওই সাংবাদিক ফেসবুকে প্রতিনিয়ত বিরোধিতা করে যাচ্ছেন। এখন ভাবছি সাংবাদিকদের বিপদে কতটুকু পাশে থাকা যৌক্তিক ?

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সুবিধাভুগী সাংবাদিককে নিয়ে বোমা ফাটালেন শাবান মাহমুদ!  

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯

অনলাইন ডেস্কঃ 

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) মহাসচিব শাবান মাহমুদ আজ এক সুবিধাবাদী সাংবাদিককে নিয়ে তার ফেইসবুক ওয়ালে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বোমা ফাটালেন। এ নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাব সহ সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠনগুলোতে আলোচনার ঝড় উঠেছে। তবে তিনি ফেইসবুক স্ট্যাটাসে কারো নাম উল্লেখ না করলেও অনেকেরই বুঝার বাকী নেই কাকে নিয়ে স্ট্যাটাসটি দেওয়া হয়েছে।

শাবান মাহমুদ তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, সাংবাদিকতা করি গত ৩০ বছর। চ্যালেঞ্জিং এ পেশা আমার ভাল লাগে। ইচ্ছে করলে রাজনীতি করতে পারতাম সূযোগ ছিলো। ছাত্রলীগ, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলাম। বিএনপি – জামাত সরকারের আমলে চাকরীচ্যুত হয়েছিলাম শেখ হাসিনার সরকারের আমলে বিটিভিতে নিয়োগ পাওয়ার অপরাধে। তারপর পেশায় টিকে থাকতে অনেক সংগ্রাম।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের শ্রদ্ধেয় সম্পাদক নঈম নিজাম, নাইমুল ইসলাম খান আর শ্রদ্ধেয় সৈয়দ বোরহান কবীর সে সময়ে সাহস জুগিয়েছেন পাশে ছিলেন । কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি বার বার সাংবাদিকদের ভোটে সংগঠনের শীর্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছি। সাংবাদিকদের কাছেও কৃতজ্ঞতা।

তিনি তার স্ট্যাটাসে আরো উল্লেখ করেন, কোন সাংবাদিক ভাল থাকলে ভাল লাগে। খারাপ থাকলে কষ্ট হয়। সাংবাদিকদের নিয়ে খারাপ কিছু লিখতে পারি না, ভাল খবর জানতে চাই। তবে আজ একজন সাংবাদিককে নিয়ে কিছু বলতে চাই। যিনি রাজধানীতে দুটি ফ্লাটের মালিক। কাজ করেন একটি জাতীয় দৈনিকে। শুনেছি জীবনে কোনদিন বেতনের টাকায় হাত দেন না। অন্যের কাছ থেকে চেয়ে চলা তার অভ্যাস।

তিনি উল্লেখ করেন, ইদানীং তার নীতিবাক্য ফেসবুক স্ট্যাটাসে দেখতে দেখতে রীতিমতো ক্লান্ত। আর একটা কথা বলে আজ শেষ করবো, যার কথা বলছি তিনি একবার ভারতে চিকিৎসা করতে যাবেন। আমি অশোক চৌধুরী দাদাকে বললাম সাহায্য করতে হবে, দাদা তাকে ডেকে ৫০ হাজার টাকা দিলেন। একবার এক সাংবাদিক তার মায়ের চিকিৎসার জন্য খুব বিপদে। স্নেহভাজন সাংবাদিক অপর এক সাংবাদিকের মায়ের চিকিৎসার জন্য সম্রাটের কাছ থেকে এক লাখ টাকার সাহায্য এনে দিলেন। সম্রাটের বিরুদ্ধে ওই সাংবাদিক ফেসবুকে প্রতিনিয়ত বিরোধিতা করে যাচ্ছেন। এখন ভাবছি সাংবাদিকদের বিপদে কতটুকু পাশে থাকা যৌক্তিক ?