ঢাকা ১২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিআরটিসিতে দুর্নীতির বরপুত্র চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা Logo শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় Logo বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি! Logo ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস্ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটির কম্বল ও খাবার বিতরন Logo বাংলাদেশে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন Logo নাগরিক শোকসভা কাল: সঙ্গে আনতে হবে আমন্ত্রণপত্র Logo উত্তরায় হোটেলে চাঁদা চাওয়ায় সাংবাদিককে গণধোলাই Logo ৩০ লক্ষ টাকায় বনানী ক্লাবের সদস্য হওয়া দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকিরের পুনর্বাসন Logo চমেকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করল দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন Logo তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক-সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ফলোআপঃ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার যৌন হয়রানির অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশের পরও নিশ্চুপ প্রশাসন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অক্টোবর ২০১৯ ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

আয়েশা সিদ্দিকী:

‘হিন্দোল বারী’ দোহারের নারী শিক্ষিকাদের নিকট আতঙ্ক ও সমালোচিত একটি নাম । ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে‌ দ্বায়িত্বরত আছেন তিনি। নারী কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত এই শিক্ষা অফিসার এর বিরুদ্ধে উঠেছে সরকারি নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ, সম্প্রতি সকালের সংবাদ এ প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে “দোহারে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ” নামক শিরোনাম প্রকাশিত হলে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পরে চারিদিক সহ দোহারের এলাকাবাসীর মাঝে । শুধু নারী কেলেঙ্কারি নয় সকালের সংবাদ এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে তার নানা অনিয়মের চিএ। নারী কেলেঙ্কারির মত অসংখ্য অভিযোগের পরেও উপজেলা প্রশাসনের ছিল নীরব ভূমিকায়। শুধু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকটে নয় বিতর্কিত এই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়েছে জেলা শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতসব অভিযোগ করার পরেও নেয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা। তদন্তের নামে চলছে সময়ক্ষেপন।

নারী কেলেঙ্কারি ইস্যুতে একজন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা দায়িত্বরত সাংবাদিককে মুঠোফোনে বলেন হিন্দোল বারী স্যার আমারকে প্রচুর চাপ দিচ্ছেন এসব অভিযোগ উঠিয়ে নিতে। আমার বাচ্চা দের নিয়ে আমাকে বাঁচতে হবে আপনি দয়া করে আর কোন সংবাদ প্রকাশ করবেন না তাহলে সে আমার অনেক ক্ষতি করবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আপনাদের প্রতিবেদনটি মুছে দিলে হিন্দোল বারী স্যার আপনাকে অর্থ প্রদান করবেন। আমাকে বাঁচতে হবে। আমি তার অনেক কাজের সাক্ষী আমি অনেক কাছ থেকে হিন্দোল বারীকে দেখেছি তিনি করতে পারেন না এমন কোন কাজ নেই! দায়িত্বরত সাংবাদিক তার নাম প্রকাশ করবে না বলে আশ্বাস দিলে তিনি শান্ত হন।

৩১/০৩/২০১৯ তারিখে মালিকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ-শিক্ষিকা ও শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ- শিক্ষক সমন্বয় বদলি করে এখানে সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করেন। সমন্বয় বদলি এমন আইন ২০১৩ সালে বন্ধ করে দেয়া হয় তারপর ৩১/০৩/২০১৯ তারিখে মালিকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নওরীন আক্তার কে শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ বদলি করা হয় এবং শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ শিক্ষক মালিকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শূন্যপদ না থাকার পরেও় সমন্বয়ে বদলি করা হয়।
২/১০/ ২০১৯ সরকারি কোন বন্ধ নয় লটাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দাওয়াত করা হয় হিন্দোল বারীর পছন্দ এমন গুটিকয়েক শিক্ষক-শিক্ষিকাকে তারা নিজ নিজ বিদ্যালয় হাজির হয়ে হাজিরা দিয়ে বের হয়ে উক্ত অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে যোগদান করে সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করেন তারা। তথ্যসূত্রে জানা যায়, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষ করে হিন্দোল বারী তার পছন্দের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে মৈনুট ঘাট থেকে বাহ্রাঘাট নৌভ্রমণ করেন সেখানে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চলে এ বিনোদন বিলাস।

সাধারনত প্রধান পরীক্ষক হিসেবে একজন প্রধান শিক্ষককে তিন বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হয়, এবং নির্দিষ্ট বিষয়ের উপরে ট্রেইনার হতে হয় সেখানে এবারের শিক্ষক নিয়োগে ছিল লটাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ নিউজ লেখা পর্যন্ত তার প্রধান শিক্ষকে বয়সসীমা এক বছরও হয়নি ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধান শিক্ষক বলেন, আমরা চাইলেই সব কিছু করতে পারিনা শিক্ষা অফিস থেকে যে আদেশ করা হয় শুধু সে অনুযায়ী কাজ করতে হয় ঠিক সেভাবেই মনোহর ও নওরিনকে কোন শূন্য পদ ছাড়াই বদলির নিয়োগ দেওয়া হয় । আমাদের হাত-পা বাঁধা । তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত।

দোহার উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার মারুফ হাসান বলেন, বিদ্যালয়ে উপস্থিত হবার পর হাজিরা দিয়ে বেরিয়ে গেলে সেই দিনের বেতন কাটা হয় এবং এটা নিয়ম ভঙ্গের কারণ তাই আমি সেদিন উক্ত অনুষ্ঠানে যোগদান করার পর আমার বক্তব্যে আমি তা প্রকাশ করেছি এবং তাদের সাথে কোন কথা বলেনি বিষয়টি নিয়ে ১০/১০/২০১৯ ইং উপজেলায় মাসিক মিটিং এ নিয়ম ভঙ্গের উপযুক্ত সকল শিক্ষক-শিক্ষিকারা ক্ষমা প্রার্থনা করেন , এবং ভবিষ্যতে আর এমন করবেন না বলে কথা দেন।তাদের শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া। তিনি আরও বলেন প্রধান নিরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে একজন শিক্ষকের চাকরির বয়স ১০ বছর হলে তাকে দায়িত্ব দেয়া যায় ।

০৭/১০/২০১৯ তারিখে সকালের সংবাদ অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের পর শিক্ষক সমিতির সভাপতি কাসেমের নেতৃত্বে সাইফুল হুমায়ুন রবিউল মিলে দায়িত্বরত প্রতিবেদকের বাড়িতে যান । সংবাদ প্রতিবেদকের পরিবারকে নানাভাবে বোঝান যেন পরবর্তীতে কোন প্রতিবেদন না হয় এবং বর্তমান প্রতিবেদনটা যেন মুছে ফেলা হয় তার জন্য শিক্ষা কর্মকর্তার পক্ষ থেকে নগদ অর্থ দিতেও তারা উদ্যত হন। তার সকল অপকর্মের অনুসন্ধানী সংবাদ চলবে……..

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ফলোআপঃ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার যৌন হয়রানির অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশের পরও নিশ্চুপ প্রশাসন!

আপডেট সময় : ০৯:২১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অক্টোবর ২০১৯

আয়েশা সিদ্দিকী:

‘হিন্দোল বারী’ দোহারের নারী শিক্ষিকাদের নিকট আতঙ্ক ও সমালোচিত একটি নাম । ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে‌ দ্বায়িত্বরত আছেন তিনি। নারী কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত এই শিক্ষা অফিসার এর বিরুদ্ধে উঠেছে সরকারি নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ, সম্প্রতি সকালের সংবাদ এ প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে “দোহারে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ” নামক শিরোনাম প্রকাশিত হলে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পরে চারিদিক সহ দোহারের এলাকাবাসীর মাঝে । শুধু নারী কেলেঙ্কারি নয় সকালের সংবাদ এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে তার নানা অনিয়মের চিএ। নারী কেলেঙ্কারির মত অসংখ্য অভিযোগের পরেও উপজেলা প্রশাসনের ছিল নীরব ভূমিকায়। শুধু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকটে নয় বিতর্কিত এই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়েছে জেলা শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতসব অভিযোগ করার পরেও নেয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা। তদন্তের নামে চলছে সময়ক্ষেপন।

নারী কেলেঙ্কারি ইস্যুতে একজন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা দায়িত্বরত সাংবাদিককে মুঠোফোনে বলেন হিন্দোল বারী স্যার আমারকে প্রচুর চাপ দিচ্ছেন এসব অভিযোগ উঠিয়ে নিতে। আমার বাচ্চা দের নিয়ে আমাকে বাঁচতে হবে আপনি দয়া করে আর কোন সংবাদ প্রকাশ করবেন না তাহলে সে আমার অনেক ক্ষতি করবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আপনাদের প্রতিবেদনটি মুছে দিলে হিন্দোল বারী স্যার আপনাকে অর্থ প্রদান করবেন। আমাকে বাঁচতে হবে। আমি তার অনেক কাজের সাক্ষী আমি অনেক কাছ থেকে হিন্দোল বারীকে দেখেছি তিনি করতে পারেন না এমন কোন কাজ নেই! দায়িত্বরত সাংবাদিক তার নাম প্রকাশ করবে না বলে আশ্বাস দিলে তিনি শান্ত হন।

৩১/০৩/২০১৯ তারিখে মালিকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ-শিক্ষিকা ও শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ- শিক্ষক সমন্বয় বদলি করে এখানে সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করেন। সমন্বয় বদলি এমন আইন ২০১৩ সালে বন্ধ করে দেয়া হয় তারপর ৩১/০৩/২০১৯ তারিখে মালিকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নওরীন আক্তার কে শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ বদলি করা হয় এবং শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ শিক্ষক মালিকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শূন্যপদ না থাকার পরেও় সমন্বয়ে বদলি করা হয়।
২/১০/ ২০১৯ সরকারি কোন বন্ধ নয় লটাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দাওয়াত করা হয় হিন্দোল বারীর পছন্দ এমন গুটিকয়েক শিক্ষক-শিক্ষিকাকে তারা নিজ নিজ বিদ্যালয় হাজির হয়ে হাজিরা দিয়ে বের হয়ে উক্ত অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে যোগদান করে সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করেন তারা। তথ্যসূত্রে জানা যায়, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষ করে হিন্দোল বারী তার পছন্দের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে মৈনুট ঘাট থেকে বাহ্রাঘাট নৌভ্রমণ করেন সেখানে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চলে এ বিনোদন বিলাস।

সাধারনত প্রধান পরীক্ষক হিসেবে একজন প্রধান শিক্ষককে তিন বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হয়, এবং নির্দিষ্ট বিষয়ের উপরে ট্রেইনার হতে হয় সেখানে এবারের শিক্ষক নিয়োগে ছিল লটাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ নিউজ লেখা পর্যন্ত তার প্রধান শিক্ষকে বয়সসীমা এক বছরও হয়নি ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধান শিক্ষক বলেন, আমরা চাইলেই সব কিছু করতে পারিনা শিক্ষা অফিস থেকে যে আদেশ করা হয় শুধু সে অনুযায়ী কাজ করতে হয় ঠিক সেভাবেই মনোহর ও নওরিনকে কোন শূন্য পদ ছাড়াই বদলির নিয়োগ দেওয়া হয় । আমাদের হাত-পা বাঁধা । তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত।

দোহার উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার মারুফ হাসান বলেন, বিদ্যালয়ে উপস্থিত হবার পর হাজিরা দিয়ে বেরিয়ে গেলে সেই দিনের বেতন কাটা হয় এবং এটা নিয়ম ভঙ্গের কারণ তাই আমি সেদিন উক্ত অনুষ্ঠানে যোগদান করার পর আমার বক্তব্যে আমি তা প্রকাশ করেছি এবং তাদের সাথে কোন কথা বলেনি বিষয়টি নিয়ে ১০/১০/২০১৯ ইং উপজেলায় মাসিক মিটিং এ নিয়ম ভঙ্গের উপযুক্ত সকল শিক্ষক-শিক্ষিকারা ক্ষমা প্রার্থনা করেন , এবং ভবিষ্যতে আর এমন করবেন না বলে কথা দেন।তাদের শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া। তিনি আরও বলেন প্রধান নিরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে একজন শিক্ষকের চাকরির বয়স ১০ বছর হলে তাকে দায়িত্ব দেয়া যায় ।

০৭/১০/২০১৯ তারিখে সকালের সংবাদ অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের পর শিক্ষক সমিতির সভাপতি কাসেমের নেতৃত্বে সাইফুল হুমায়ুন রবিউল মিলে দায়িত্বরত প্রতিবেদকের বাড়িতে যান । সংবাদ প্রতিবেদকের পরিবারকে নানাভাবে বোঝান যেন পরবর্তীতে কোন প্রতিবেদন না হয় এবং বর্তমান প্রতিবেদনটা যেন মুছে ফেলা হয় তার জন্য শিক্ষা কর্মকর্তার পক্ষ থেকে নগদ অর্থ দিতেও তারা উদ্যত হন। তার সকল অপকর্মের অনুসন্ধানী সংবাদ চলবে……..