ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

সিক্রেট গ্রুপে লোমহর্ষক চ্যাটিং: ‘মাইর বেশি হয়ে গেছে’ ‘আবরার মরে যাচ্ছে’!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২৪১ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক; 
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় চমকে উঠেছে জাতির বিবেক। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা যায় উচ্চশিক্ষার জন্য, সেটা এখন পরিণত হয়েছে খুনীদের অভয়ারণ্যে। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, এসব অপরাধের কোনো বিচার না হওয়া। আবরার হত্যার পর আবারও বিচারহীনতা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রকাশিত হয়েছে খুনিদের লোমহর্ষক পরিকল্পনার কথা।

আবরারকে নির্যাতনের পরিকল্পনা ঘটনার আগেই হয়েছিল। এটা রাগের মাথায় ঘটানো তাৎক্ষণিক কোনো দুর্ঘটনা নয়, রীতিমতো ঠাণ্ডা মাথার পরিকল্পনা। মিডিয়ার হাতে চলে এসেছে বুয়েট ছাত্রলীগের সদস্যদের সিক্রেট গ্রুপের কথোপকথন। ঘটনার একদিন আগেই ফেসবুকের সিক্রেট গ্রুপে আবরারকে নির্যাতনের নির্দেশ দেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদি হাসান রনি।

৫ অক্টোবর শনিবার দুপুর পৌনে ১টায় সিক্সটিন ব্যাচকে ম্যানশন করে রনি লিখেন, ‘১৭ আবরার ফাহাদ। মেরে হল থেকে বের করে দিবি দ্রুত। দুই দিন টাইম দিলাম।’

পরদিন রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটে মনিরুজ্জামান মনির সিক্রেট গ্রুপে লিখেন, ‘নিচে নাম সবাই’।

ওইদিন রাত ৮টা ১‌৩ মিনিটে আবরারকে নিজ কক্ষ থেকে ডেকে হলের করিডোর দিয়ে দোতলার সিঁড়ির দিকে নিয়ে যান সাদাত, তানিম, বিল্লাহ সহ কয়েকজন। এরপর রাত ১টা ২৬ মিনিটে ইফতি মোশাররফ সকাল মেসেঞ্জারে লিখেন, ‘মরে যাচ্ছে! মাইর বেশি হয়ে গেছে।’

তারপরের ঘটনা সবার জানা। আবারের নিথর দেহ পড়ে ছিল সিঁড়ির কাছে। হলের ডাক্তারই তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্রেফ সাধারণ একটা ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে একজন বুয়েট শিক্ষার্থীকে প্রাণে মেরে ফেলা হতে পারে, এটা ভাবতে পারছেন না কেউ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সিক্রেট গ্রুপে লোমহর্ষক চ্যাটিং: ‘মাইর বেশি হয়ে গেছে’ ‘আবরার মরে যাচ্ছে’!

আপডেট সময় : ১০:৪২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক; 
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় চমকে উঠেছে জাতির বিবেক। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা যায় উচ্চশিক্ষার জন্য, সেটা এখন পরিণত হয়েছে খুনীদের অভয়ারণ্যে। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, এসব অপরাধের কোনো বিচার না হওয়া। আবরার হত্যার পর আবারও বিচারহীনতা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রকাশিত হয়েছে খুনিদের লোমহর্ষক পরিকল্পনার কথা।

আবরারকে নির্যাতনের পরিকল্পনা ঘটনার আগেই হয়েছিল। এটা রাগের মাথায় ঘটানো তাৎক্ষণিক কোনো দুর্ঘটনা নয়, রীতিমতো ঠাণ্ডা মাথার পরিকল্পনা। মিডিয়ার হাতে চলে এসেছে বুয়েট ছাত্রলীগের সদস্যদের সিক্রেট গ্রুপের কথোপকথন। ঘটনার একদিন আগেই ফেসবুকের সিক্রেট গ্রুপে আবরারকে নির্যাতনের নির্দেশ দেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদি হাসান রনি।

৫ অক্টোবর শনিবার দুপুর পৌনে ১টায় সিক্সটিন ব্যাচকে ম্যানশন করে রনি লিখেন, ‘১৭ আবরার ফাহাদ। মেরে হল থেকে বের করে দিবি দ্রুত। দুই দিন টাইম দিলাম।’

পরদিন রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটে মনিরুজ্জামান মনির সিক্রেট গ্রুপে লিখেন, ‘নিচে নাম সবাই’।

ওইদিন রাত ৮টা ১‌৩ মিনিটে আবরারকে নিজ কক্ষ থেকে ডেকে হলের করিডোর দিয়ে দোতলার সিঁড়ির দিকে নিয়ে যান সাদাত, তানিম, বিল্লাহ সহ কয়েকজন। এরপর রাত ১টা ২৬ মিনিটে ইফতি মোশাররফ সকাল মেসেঞ্জারে লিখেন, ‘মরে যাচ্ছে! মাইর বেশি হয়ে গেছে।’

তারপরের ঘটনা সবার জানা। আবারের নিথর দেহ পড়ে ছিল সিঁড়ির কাছে। হলের ডাক্তারই তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্রেফ সাধারণ একটা ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে একজন বুয়েট শিক্ষার্থীকে প্রাণে মেরে ফেলা হতে পারে, এটা ভাবতে পারছেন না কেউ।