ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




বরিশালে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও এক নারীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ৫৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক; 

বরিশালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সাধনা রানি (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ৬টার বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সাধনা রানি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার জোয়ার করুনা গ্রামের বাবুল চন্দ্র হালাদারের স্ত্রী।

শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাধনা রানি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। রোববার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, এ নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে চলতি বছরের ১৬ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ১১ জন রোগীর মৃত্যু হলো। উল্লেখিত সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রন্ত হয়ে এই হাসপাতালে ২ হাজার ৫১০ জন রোগী ভর্তি হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ৪৩৭ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬২ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




বরিশালে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও এক নারীর

আপডেট সময় : ১২:০৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক; 

বরিশালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সাধনা রানি (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ৬টার বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সাধনা রানি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার জোয়ার করুনা গ্রামের বাবুল চন্দ্র হালাদারের স্ত্রী।

শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাধনা রানি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। রোববার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, এ নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে চলতি বছরের ১৬ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ১১ জন রোগীর মৃত্যু হলো। উল্লেখিত সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রন্ত হয়ে এই হাসপাতালে ২ হাজার ৫১০ জন রোগী ভর্তি হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ৪৩৭ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬২ জন।