ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ডেমরায় পুলিশ কর্মকর্তার বাসা থেকে কিশোরী গৃহ পরিচারিকার লাশ উদ্ধার Logo ইমেজ ক্লিন করতে গুগল ক্লিন মিশনে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবর Logo চেয়ারে বসার আগেই গণপূর্ত নিয়ন্ত্রণে আশরাফুল: রয়েছে তারেক জিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা! Logo রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৭১ জন গ্রেফতার Logo ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ পল্টন থানা পুলিশের হাতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo দক্ষিণখান থানায় নতুন ওসি Logo চট্টগ্রামের মোস্ট ওয়ান্টেড বাবর আওয়ামী লীগের বড় পদ পেতে মরিয়া Logo জনগণকে বিনামূল্যে করোনা টিকা দিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo আইনজীবী মিতুকে হত্যা করা হয়েছে বলে সহপাঠীদের দাবি  Logo বসুন্ধরা গ্রুপের নাম ভাঙ্গিয়ে ত্রাসের সম্রাট আন্ডা রফিক




অতীত – তারিফুল ইসলাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫২:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৮ ১৯ বার পড়া হয়েছে

তোমাকে শেষ কবে দেখেছি ঠিক মনে নেই,তবে  প্রথম কবে দেখেছিলাম মনে আছে ২৭.০১.০৫।প্রথম কবে দেখেছিলাম স্বরণ করতে গিয়ে মনে হলো সময়টা খুব অল্প নয় বিশাল এক টা লম্বা অতীত। আচ্ছা অতীত কি আসলেই ভুলা সম্ভব সেটা দুঃখের কিংবা হোক না সুখের?

অতীত একটা আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ,যা শুধু নিজে পড়া যায়। পড়ে কখনো কাঁদতে হয়, কখনো হাসতে হয়, আবার কখনো বা লজ্জা পেতে হয়। কিছু অতীত-তো এমন আছে,যা কেবল-ই নিজের ভেতর লালান করা হয়।

শত চেষ্টা করে -ও অন্য কারো কাছে প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। এই চির গোপন অতীতগুলো-ই লালনকর্তাকে কুড়ে কুড়ে খায়, পথ চলতে সহায়তা করে,আত্মার শক্তিকে আরো সানিত করে, লক্ষ পানে ছুটে চলতে উৎসাহিত করে,স্বার্থপর ও নিষ্ঠুর করে তোলে, সপ্ন দেখতে শেখায়, সবচেয়ে বড় কথা হল অন্য সবার থেকে লালনকারিকে আলাদা করে রাখে।

অতীত অবশ্যই অভিজ্ঞতা কে সমৃদ্ধ করে,শিক্ষাকে বাস্তবতায় পরিনত করতে বাধ্য করে।

জীবনের কোন একটা সময়ে এসে সবার মনে-ই প্রশ্ন জাগে,আসলে জীবনটা কি? তখন কিন্তু উত্তর একটা-ই, আমার অতীত-ই হল আমার জীবন।

যদি-ও অতীত,বর্তমান,ভবিষ্যৎ এই নিয়েই এক একজন মানুষের জীবন। একটু গভীর ভাবে চিন্তা করলে বুঝবেন যে,বর্তমানটা কত ছোট। জীবনের প্রতি মুহূর্ত-ই এক পলকে অতীত হয়ে যাচ্ছে।। সেই সূত্র ধরে বলতে পারি অতীত আপন ক্ষমতা বলে বর্তমান এবং ভবিষ্যতকে প্রতি নিঃশ্বাসের সাথে সাথে গ্রাস করে নিচ্ছে। অতীতের কাছে প্রতিনিয়ত পরাজিত হচ্ছে ভবিষ্যৎ এবং অতিক্ষুদ্র বর্তমান।

অতিতকে ভুলে থাকার প্রচেষ্টা অনেকে করে থাকেন। জানি না ভুলতে পারেন কি না। ক্ষণিকের জন্য ভুলে থাকা গেলে-ও মুছে ফেলা সম্ভব না। কোন না কোন ভাবে অতীত সামনে এসে আপনাকে ডাকবে। চোখ বন্ধ করে তাকে একটু ভাবতে বলবে। তার এঁকেবেঁকে ছুটে চলা পথ ধরে আপনাকে ঘুরে আসতে-ই হবে।

এভাবে-ই অতীত একদিন হয়ে উঠবে আপন মহিমায় কালের জলন্ত সাক্ষি অথবা ইতিহাসের অংশ। উপমা হয়ে ঘুরেফিরবে মানুষের মুখে মুখে।

চলবে………

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




অতীত – তারিফুল ইসলাম

আপডেট সময় : ০৪:৫২:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৮

তোমাকে শেষ কবে দেখেছি ঠিক মনে নেই,তবে  প্রথম কবে দেখেছিলাম মনে আছে ২৭.০১.০৫।প্রথম কবে দেখেছিলাম স্বরণ করতে গিয়ে মনে হলো সময়টা খুব অল্প নয় বিশাল এক টা লম্বা অতীত। আচ্ছা অতীত কি আসলেই ভুলা সম্ভব সেটা দুঃখের কিংবা হোক না সুখের?

অতীত একটা আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ,যা শুধু নিজে পড়া যায়। পড়ে কখনো কাঁদতে হয়, কখনো হাসতে হয়, আবার কখনো বা লজ্জা পেতে হয়। কিছু অতীত-তো এমন আছে,যা কেবল-ই নিজের ভেতর লালান করা হয়।

শত চেষ্টা করে -ও অন্য কারো কাছে প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। এই চির গোপন অতীতগুলো-ই লালনকর্তাকে কুড়ে কুড়ে খায়, পথ চলতে সহায়তা করে,আত্মার শক্তিকে আরো সানিত করে, লক্ষ পানে ছুটে চলতে উৎসাহিত করে,স্বার্থপর ও নিষ্ঠুর করে তোলে, সপ্ন দেখতে শেখায়, সবচেয়ে বড় কথা হল অন্য সবার থেকে লালনকারিকে আলাদা করে রাখে।

অতীত অবশ্যই অভিজ্ঞতা কে সমৃদ্ধ করে,শিক্ষাকে বাস্তবতায় পরিনত করতে বাধ্য করে।

জীবনের কোন একটা সময়ে এসে সবার মনে-ই প্রশ্ন জাগে,আসলে জীবনটা কি? তখন কিন্তু উত্তর একটা-ই, আমার অতীত-ই হল আমার জীবন।

যদি-ও অতীত,বর্তমান,ভবিষ্যৎ এই নিয়েই এক একজন মানুষের জীবন। একটু গভীর ভাবে চিন্তা করলে বুঝবেন যে,বর্তমানটা কত ছোট। জীবনের প্রতি মুহূর্ত-ই এক পলকে অতীত হয়ে যাচ্ছে।। সেই সূত্র ধরে বলতে পারি অতীত আপন ক্ষমতা বলে বর্তমান এবং ভবিষ্যতকে প্রতি নিঃশ্বাসের সাথে সাথে গ্রাস করে নিচ্ছে। অতীতের কাছে প্রতিনিয়ত পরাজিত হচ্ছে ভবিষ্যৎ এবং অতিক্ষুদ্র বর্তমান।

অতিতকে ভুলে থাকার প্রচেষ্টা অনেকে করে থাকেন। জানি না ভুলতে পারেন কি না। ক্ষণিকের জন্য ভুলে থাকা গেলে-ও মুছে ফেলা সম্ভব না। কোন না কোন ভাবে অতীত সামনে এসে আপনাকে ডাকবে। চোখ বন্ধ করে তাকে একটু ভাবতে বলবে। তার এঁকেবেঁকে ছুটে চলা পথ ধরে আপনাকে ঘুরে আসতে-ই হবে।

এভাবে-ই অতীত একদিন হয়ে উঠবে আপন মহিমায় কালের জলন্ত সাক্ষি অথবা ইতিহাসের অংশ। উপমা হয়ে ঘুরেফিরবে মানুষের মুখে মুখে।

চলবে………