ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ




আরো গুলি খাব, কিন্তু মাথা নোয়াব না: রিজভী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ ১৪২ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, আমরা আরো গুলি খাব, কিন্তু মাথা নোয়াব না। দলীয় নেতা মির্জা আব্বাস, মাহবুব উদ্দিন খোকন, রুমানা মাহমুদ ও হাফিজ উদ্দিনের ওপর হামলার জেরে এ কথা বলেন তিনি।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকে বিএনপি। সেখানে রিজভী বলেন, মির্জা আব্বাসের ওপর হামলা হয়েছে। মাহবুব উদ্দিন খোকন গুলি খেয়েছেন। রুমানা মাহমুদ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কিন্তু দেখেন, তারা কেউই এলাকা ছাড়েননি। এটা আমাদের নির্বাচনী যুদ্ধ। আন্দোলনের অংশ হিসেবে তা চলবে। জনগণকে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার অধিকার আমাদের আছে। আমরা সেই অধিকার প্রতিষ্ঠা করব।

তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার কথা ছিল। কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে থাকার কথা ছিল না। কিন্তু নির্লজ্জভাবে তারা সরকারি দলের হয়ে কাজ করছেন। যারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে চান তাদেরও পক্ষে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

এসময় টকশোর আলোচকদের প্রতি ক্ষোভ উগরে দেন রিজভী। তিনি বলেন, গেল শুক্রবার ড.কামাল হোসেনের সঙ্গে এক সংবাদকর্মীর বাদানুবাদ হয়েছে। সেটা নিয়ে তুলকালাম হয়ে গেছে। টকশোতে যে যার মতো করে ড. কামালকে ধুয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তার গাড়িবহরে হামলা হয়েছে, সেটা নিয়ে কোনো কথা নেই।

নির্বাচনকালীন গণমাধ্যমের ভূমিকা উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, বিএনপি নেতাদের ওপর হামলার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু মূলধারার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তা নিয়ে কোনো খবর আসেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




আরো গুলি খাব, কিন্তু মাথা নোয়াব না: রিজভী

আপডেট সময় : ১২:০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮

বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, আমরা আরো গুলি খাব, কিন্তু মাথা নোয়াব না। দলীয় নেতা মির্জা আব্বাস, মাহবুব উদ্দিন খোকন, রুমানা মাহমুদ ও হাফিজ উদ্দিনের ওপর হামলার জেরে এ কথা বলেন তিনি।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকে বিএনপি। সেখানে রিজভী বলেন, মির্জা আব্বাসের ওপর হামলা হয়েছে। মাহবুব উদ্দিন খোকন গুলি খেয়েছেন। রুমানা মাহমুদ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কিন্তু দেখেন, তারা কেউই এলাকা ছাড়েননি। এটা আমাদের নির্বাচনী যুদ্ধ। আন্দোলনের অংশ হিসেবে তা চলবে। জনগণকে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার অধিকার আমাদের আছে। আমরা সেই অধিকার প্রতিষ্ঠা করব।

তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার কথা ছিল। কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে থাকার কথা ছিল না। কিন্তু নির্লজ্জভাবে তারা সরকারি দলের হয়ে কাজ করছেন। যারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে চান তাদেরও পক্ষে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

এসময় টকশোর আলোচকদের প্রতি ক্ষোভ উগরে দেন রিজভী। তিনি বলেন, গেল শুক্রবার ড.কামাল হোসেনের সঙ্গে এক সংবাদকর্মীর বাদানুবাদ হয়েছে। সেটা নিয়ে তুলকালাম হয়ে গেছে। টকশোতে যে যার মতো করে ড. কামালকে ধুয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তার গাড়িবহরে হামলা হয়েছে, সেটা নিয়ে কোনো কথা নেই।

নির্বাচনকালীন গণমাধ্যমের ভূমিকা উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, বিএনপি নেতাদের ওপর হামলার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু মূলধারার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তা নিয়ে কোনো খবর আসেনি।