ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ধীরে সুস্থ হচ্ছে ভ্যানচালক শাহীন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা; 
ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছে যশোরের ভ্যানচালক কিশোর শাহীন মোড়ল (১৬)। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শাহীনের আশঙ্কাজনক অবস্থা কেটে গেছে। কিছুদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার গতকাল সোমবার প্রথম আলোকে বলেন, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে শাহীনকে হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে।

শাহীনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, মাথায় অস্ত্রোপচারের জায়গা শুকিয়ে গেছে। দুর্বৃত্তদের আঘাতের কারণে খুলির ভাঙা হাড়ের ছোট ছোট অংশ মস্তিষ্কে আঘাত করেছিল। এগুলো অপসারণ করা হলেও ভাঙা হাড়ের জায়গা ফাঁকাই থেকে গেছে। তিন মাস পর সেখানে কৃত্রিম হাড় যুক্ত করা হবে।

ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে অবস্থান করছেন শাহীনের মা খাদিজা বেগম। চিকিৎসার ব্যয় বহন করছে সরকার। গতকাল দুপুরে খাদিজা বেগমের বলেন, আগের থেকে ভালো আছে শাহীন। কথা বলছে একটু একটু। কিন্তু অনেক বিষয়ই ভুলে গেছে। হামলার ঘটনাও পুরোপুরি মনে করতে পারে না। দুই হাত একটু কাজ করলেও ডান পা এখনো পুরোপুরি অকেজো।

নিউরোসার্জারির চিকিৎসক উজ্জ্বল কুমার বলছেন, মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়ার কারণেই এমন হচ্ছে। এ অবস্থা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। বাড়িতে গিয়ে সবার সঙ্গে মিশলে ধীরে ধীরে অবস্থার উন্নতি হবে।

গত ২৮ জুন সাতক্ষীরায় দুর্বৃত্তরা শাহীনের ভ্যান ছিনতাইয়ের সময় তার মাথায় আঘাত করে ফেলে রেখে চলে যায়। শাহীনের বাড়ি যশোরের কেশবপুরে। গোলাঘাটা দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সে। আর্থিক অনটনের সংসারে নিজের ও ছোট দুই বোনের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতে ভ্যান চালাত সে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ধীরে সুস্থ হচ্ছে ভ্যানচালক শাহীন

আপডেট সময় : ১১:০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা; 
ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছে যশোরের ভ্যানচালক কিশোর শাহীন মোড়ল (১৬)। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শাহীনের আশঙ্কাজনক অবস্থা কেটে গেছে। কিছুদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার গতকাল সোমবার প্রথম আলোকে বলেন, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে শাহীনকে হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে।

শাহীনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, মাথায় অস্ত্রোপচারের জায়গা শুকিয়ে গেছে। দুর্বৃত্তদের আঘাতের কারণে খুলির ভাঙা হাড়ের ছোট ছোট অংশ মস্তিষ্কে আঘাত করেছিল। এগুলো অপসারণ করা হলেও ভাঙা হাড়ের জায়গা ফাঁকাই থেকে গেছে। তিন মাস পর সেখানে কৃত্রিম হাড় যুক্ত করা হবে।

ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে অবস্থান করছেন শাহীনের মা খাদিজা বেগম। চিকিৎসার ব্যয় বহন করছে সরকার। গতকাল দুপুরে খাদিজা বেগমের বলেন, আগের থেকে ভালো আছে শাহীন। কথা বলছে একটু একটু। কিন্তু অনেক বিষয়ই ভুলে গেছে। হামলার ঘটনাও পুরোপুরি মনে করতে পারে না। দুই হাত একটু কাজ করলেও ডান পা এখনো পুরোপুরি অকেজো।

নিউরোসার্জারির চিকিৎসক উজ্জ্বল কুমার বলছেন, মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়ার কারণেই এমন হচ্ছে। এ অবস্থা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। বাড়িতে গিয়ে সবার সঙ্গে মিশলে ধীরে ধীরে অবস্থার উন্নতি হবে।

গত ২৮ জুন সাতক্ষীরায় দুর্বৃত্তরা শাহীনের ভ্যান ছিনতাইয়ের সময় তার মাথায় আঘাত করে ফেলে রেখে চলে যায়। শাহীনের বাড়ি যশোরের কেশবপুরে। গোলাঘাটা দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সে। আর্থিক অনটনের সংসারে নিজের ও ছোট দুই বোনের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতে ভ্যান চালাত সে।