ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা  Logo ভোলার জেলা রেজিস্ট্রার নুর নেওয়াজ ৫০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক Logo প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে শীর্ষ কর্মকর্তা আতিকুর পাহাড়সমান অভিযোগ নিয়েও বহাল Logo বদলি-বাণিজ্য ঘুষ বাণিজ্যে বেপরোয়া সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন সিন্ডিকেট Logo রাজউকে দুর্নীতিতে আলোচনার শীর্ষে পরিচালক জাকারিয়া: ‘সেফ জন’ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ  Logo প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য Logo ‘৬ বছরে ৮৬৫০ কোটি লুটপাট : সওজে নতুন করে সক্রিয় সেই ‘ডন’ রায়হান মুস্তাফিজ!’ Logo ৮০ কোটির জালিয়াতি: শিল্পগোষ্ঠীকে ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে বৃষ্টি–মেসবাহ দম্পতি লাপাত্তা  Logo ৩০ লাখের প্রকল্পে প্রায় ৩ কোটি আত্মসাৎ: রাজউক চেয়ারম্যানের বাংলো সংস্কারে অনিয়মের বিস্ফোরণ Logo রাজউকের কানুনগো আব্দুল মোমিন: দুর্নীতি ও প্লট বাণিজ্যের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক 

ধীরে সুস্থ হচ্ছে ভ্যানচালক শাহীন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা; 
ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছে যশোরের ভ্যানচালক কিশোর শাহীন মোড়ল (১৬)। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শাহীনের আশঙ্কাজনক অবস্থা কেটে গেছে। কিছুদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার গতকাল সোমবার প্রথম আলোকে বলেন, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে শাহীনকে হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে।

শাহীনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, মাথায় অস্ত্রোপচারের জায়গা শুকিয়ে গেছে। দুর্বৃত্তদের আঘাতের কারণে খুলির ভাঙা হাড়ের ছোট ছোট অংশ মস্তিষ্কে আঘাত করেছিল। এগুলো অপসারণ করা হলেও ভাঙা হাড়ের জায়গা ফাঁকাই থেকে গেছে। তিন মাস পর সেখানে কৃত্রিম হাড় যুক্ত করা হবে।

ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে অবস্থান করছেন শাহীনের মা খাদিজা বেগম। চিকিৎসার ব্যয় বহন করছে সরকার। গতকাল দুপুরে খাদিজা বেগমের বলেন, আগের থেকে ভালো আছে শাহীন। কথা বলছে একটু একটু। কিন্তু অনেক বিষয়ই ভুলে গেছে। হামলার ঘটনাও পুরোপুরি মনে করতে পারে না। দুই হাত একটু কাজ করলেও ডান পা এখনো পুরোপুরি অকেজো।

নিউরোসার্জারির চিকিৎসক উজ্জ্বল কুমার বলছেন, মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়ার কারণেই এমন হচ্ছে। এ অবস্থা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। বাড়িতে গিয়ে সবার সঙ্গে মিশলে ধীরে ধীরে অবস্থার উন্নতি হবে।

গত ২৮ জুন সাতক্ষীরায় দুর্বৃত্তরা শাহীনের ভ্যান ছিনতাইয়ের সময় তার মাথায় আঘাত করে ফেলে রেখে চলে যায়। শাহীনের বাড়ি যশোরের কেশবপুরে। গোলাঘাটা দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সে। আর্থিক অনটনের সংসারে নিজের ও ছোট দুই বোনের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতে ভ্যান চালাত সে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ধীরে সুস্থ হচ্ছে ভ্যানচালক শাহীন

আপডেট সময় : ১১:০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা; 
ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছে যশোরের ভ্যানচালক কিশোর শাহীন মোড়ল (১৬)। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শাহীনের আশঙ্কাজনক অবস্থা কেটে গেছে। কিছুদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার গতকাল সোমবার প্রথম আলোকে বলেন, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে শাহীনকে হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে।

শাহীনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, মাথায় অস্ত্রোপচারের জায়গা শুকিয়ে গেছে। দুর্বৃত্তদের আঘাতের কারণে খুলির ভাঙা হাড়ের ছোট ছোট অংশ মস্তিষ্কে আঘাত করেছিল। এগুলো অপসারণ করা হলেও ভাঙা হাড়ের জায়গা ফাঁকাই থেকে গেছে। তিন মাস পর সেখানে কৃত্রিম হাড় যুক্ত করা হবে।

ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে অবস্থান করছেন শাহীনের মা খাদিজা বেগম। চিকিৎসার ব্যয় বহন করছে সরকার। গতকাল দুপুরে খাদিজা বেগমের বলেন, আগের থেকে ভালো আছে শাহীন। কথা বলছে একটু একটু। কিন্তু অনেক বিষয়ই ভুলে গেছে। হামলার ঘটনাও পুরোপুরি মনে করতে পারে না। দুই হাত একটু কাজ করলেও ডান পা এখনো পুরোপুরি অকেজো।

নিউরোসার্জারির চিকিৎসক উজ্জ্বল কুমার বলছেন, মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়ার কারণেই এমন হচ্ছে। এ অবস্থা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। বাড়িতে গিয়ে সবার সঙ্গে মিশলে ধীরে ধীরে অবস্থার উন্নতি হবে।

গত ২৮ জুন সাতক্ষীরায় দুর্বৃত্তরা শাহীনের ভ্যান ছিনতাইয়ের সময় তার মাথায় আঘাত করে ফেলে রেখে চলে যায়। শাহীনের বাড়ি যশোরের কেশবপুরে। গোলাঘাটা দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সে। আর্থিক অনটনের সংসারে নিজের ও ছোট দুই বোনের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতে ভ্যান চালাত সে।