ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

 ভয়ংকর কিশোর গ্যাং

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০১৯ ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি, গাজীপুর;  টঙ্গীতে নবম শ্রেণির ছাত্র শুভ আহমেদ (১৬) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মৃদুল হাসান পাপ্পুসহ (১৭) চার কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১। এ সময় হত্যার কাজে ব্যবহৃত ধারালো সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হচ্ছে- টঙ্গী পাগার এলাকার কামাল পাঠানের বাড়ির ভাড়াটে মহিউদ্দিনের ছেলে মৃদুল হাসান পাপ্পু (১৭), একই এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে সাব্বির আহমেদ (১৬), নূরুল ইসলাম খোকনের ছেলে রাব্বু হোসেন রিয়াদ (১৬) ও আলতাফ উদ্দিনের ছেলে নূর মোহাম্মদ রনি (১৬)।

র‌্যাব-১ এর গাজীপুরের কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ৭ জুলাই গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন বিসিক ফকির মার্কেট পাগার মদিনাপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় পাগার ফিউচার ম্যাপ স্কুলের ৯ম শ্রেণির ছাত্র শুভ আহমেদকে বুকে, পিঠে ও মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করা হয়। নিহত শুভ আহমেদ বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান।

ঘটনার পর দিন নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

তিনি আরও জানান, টঙ্গী ও পার্শ্ববর্তী উত্তরা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ বেশ কিছু কিশোর গ্যাং গ্রুপ বিদ্যমান। এসব গ্যাং গ্রুপ তাদের দেয়া বিভিন্ন নামে পরিচিত। সাধারণত উঠতি বয়সের কিশোররা এসব গ্যাং কালচারের সঙ্গে জড়িত। অভিভাবকের অবহেলা ও পশ্চিমা কালচারের অনুকরণে এসব গ্যাং গ্রুপ গড়ে উঠেছে। এসব গ্যাং গ্রুপের মধ্যে ছোট খাটো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে। হত্যার এক দিন আটে ভিকটিমের সঙ্গে স্থানীয় নবগঠিত একটি গ্যাং গ্রুপের সদস্যদের ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়।

উল্লেখ্য, নিহত স্কুলছাত্র শুভ আহমেদের বাবা-মা উভয়ই স্থানীয় গার্মেন্টেসে চাকরি করেন। ঘটনার দিন আনুমানিক রাত ৯টার দিকে ভিকটিম শুভ তার মায়ের কাছ থেকে চুল কাটার জন্য টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। গভীর রাতেও ছেলে বাড়ি ফিরে না আসায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। পরে টঙ্গী পাগার মদিনা পাড়াস্থ জনৈক স্বপনের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার পাশে ঝোপের মধ্যে মরদেহ দেখে স্থানীয়রা টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশে খবর দেন। পরে থানায় গিয়ে স্বজনরা শুভর মরদেহ শনাক্ত করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

 ভয়ংকর কিশোর গ্যাং

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০১৯

জেলা প্রতিনিধি, গাজীপুর;  টঙ্গীতে নবম শ্রেণির ছাত্র শুভ আহমেদ (১৬) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মৃদুল হাসান পাপ্পুসহ (১৭) চার কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১। এ সময় হত্যার কাজে ব্যবহৃত ধারালো সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হচ্ছে- টঙ্গী পাগার এলাকার কামাল পাঠানের বাড়ির ভাড়াটে মহিউদ্দিনের ছেলে মৃদুল হাসান পাপ্পু (১৭), একই এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে সাব্বির আহমেদ (১৬), নূরুল ইসলাম খোকনের ছেলে রাব্বু হোসেন রিয়াদ (১৬) ও আলতাফ উদ্দিনের ছেলে নূর মোহাম্মদ রনি (১৬)।

র‌্যাব-১ এর গাজীপুরের কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ৭ জুলাই গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন বিসিক ফকির মার্কেট পাগার মদিনাপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় পাগার ফিউচার ম্যাপ স্কুলের ৯ম শ্রেণির ছাত্র শুভ আহমেদকে বুকে, পিঠে ও মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করা হয়। নিহত শুভ আহমেদ বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান।

ঘটনার পর দিন নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

তিনি আরও জানান, টঙ্গী ও পার্শ্ববর্তী উত্তরা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ বেশ কিছু কিশোর গ্যাং গ্রুপ বিদ্যমান। এসব গ্যাং গ্রুপ তাদের দেয়া বিভিন্ন নামে পরিচিত। সাধারণত উঠতি বয়সের কিশোররা এসব গ্যাং কালচারের সঙ্গে জড়িত। অভিভাবকের অবহেলা ও পশ্চিমা কালচারের অনুকরণে এসব গ্যাং গ্রুপ গড়ে উঠেছে। এসব গ্যাং গ্রুপের মধ্যে ছোট খাটো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে। হত্যার এক দিন আটে ভিকটিমের সঙ্গে স্থানীয় নবগঠিত একটি গ্যাং গ্রুপের সদস্যদের ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়।

উল্লেখ্য, নিহত স্কুলছাত্র শুভ আহমেদের বাবা-মা উভয়ই স্থানীয় গার্মেন্টেসে চাকরি করেন। ঘটনার দিন আনুমানিক রাত ৯টার দিকে ভিকটিম শুভ তার মায়ের কাছ থেকে চুল কাটার জন্য টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। গভীর রাতেও ছেলে বাড়ি ফিরে না আসায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। পরে টঙ্গী পাগার মদিনা পাড়াস্থ জনৈক স্বপনের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার পাশে ঝোপের মধ্যে মরদেহ দেখে স্থানীয়রা টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশে খবর দেন। পরে থানায় গিয়ে স্বজনরা শুভর মরদেহ শনাক্ত করে।