ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রূপালী ব্যাংকের ডিজিএম কর্তৃক সহকর্মী নারীকে যৌন হয়রানি: ধামাচাপা দিতে মরিয়া তদন্ত কমিটি Logo প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা হাতিয়ে বহাল তবিয়তে মাদারীপুরের দুই সহকারী সমাজসেবা অফিসারl Logo যমুনা লাইফের গ্রাহক প্রতারণায় ‘জড়িতরা’ কে কোথায় Logo ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আহসান কামরুল, সম্পাদক জিয়াউর রহমান Logo টাটা মটরস বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো টাটা যোদ্ধা Logo আশা শিক্ষা কর্মসূচী কর্তৃক অভিভাবক মতবিনিময় সভা Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ!




নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ১০০ টাকার জিনিস কেনা হয়েছে ৪০০০ টাকায়!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯ ১০৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক;
নেই কোনো কার্যালয়, ভরসা শুধু ফোন নম্বর। এমন প্রতিষ্ঠানই পেয়েছে প্রায় ৭ কোটি টাকার কাজ। কোনো কোনো পণ্য কেনা হয়েছে প্রায় ৫০ গুণ বেশি দামে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা কাটায় হয়েছে এমন পুকুর চুরি। ঘটনা তদন্তে এরই মধ্যে কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ১৩০ টাকা বাজার মূল্যের ক্যাথার মাউন্ট কেনা হয়েছে ৪ হাজার টাকা করে। মানে ৬৫ হাজার টাকার পণ্য কেনা হয়েছে ২০ লাখ টাকা দিয়ে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমএইচআর সামগ্রীর মূল্য তালিকায় এর দাম ৬৬ টাকা। সে অনুযায়ী ৩৩ হাজার টাকার পণ্য কেনা হয়েছে ২০ লাখ টাকায়। চার হাজার টাকা করে কেনা এইচএমই ফিল্টার বাজারে বিক্রি হয় ১৪০ টাকায়। ২০ লাখ টাকায় কেনা হয়েছে ৭০ হাজার টাকার জিনিস। ২০০টি সিভিপি মনোমিটার কেনা হয়েছে ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকায়। ২১৮ টাকার পণ্য হয়ে গেছে ৫ হাজার ৮০০ টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ১০০ টাকার জিনিস কেনা হয়েছে ৪০০০ টাকায়!

আপডেট সময় : ১২:২৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক;
নেই কোনো কার্যালয়, ভরসা শুধু ফোন নম্বর। এমন প্রতিষ্ঠানই পেয়েছে প্রায় ৭ কোটি টাকার কাজ। কোনো কোনো পণ্য কেনা হয়েছে প্রায় ৫০ গুণ বেশি দামে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা কাটায় হয়েছে এমন পুকুর চুরি। ঘটনা তদন্তে এরই মধ্যে কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ১৩০ টাকা বাজার মূল্যের ক্যাথার মাউন্ট কেনা হয়েছে ৪ হাজার টাকা করে। মানে ৬৫ হাজার টাকার পণ্য কেনা হয়েছে ২০ লাখ টাকা দিয়ে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমএইচআর সামগ্রীর মূল্য তালিকায় এর দাম ৬৬ টাকা। সে অনুযায়ী ৩৩ হাজার টাকার পণ্য কেনা হয়েছে ২০ লাখ টাকায়। চার হাজার টাকা করে কেনা এইচএমই ফিল্টার বাজারে বিক্রি হয় ১৪০ টাকায়। ২০ লাখ টাকায় কেনা হয়েছে ৭০ হাজার টাকার জিনিস। ২০০টি সিভিপি মনোমিটার কেনা হয়েছে ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকায়। ২১৮ টাকার পণ্য হয়ে গেছে ৫ হাজার ৮০০ টাকা।