ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo যমুনা লাইফের গ্রাহক প্রতারণায় ‘জড়িতরা’ কে কোথায় Logo ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আহসান কামরুল, সম্পাদক জিয়াউর রহমান Logo টাটা মটরস বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো টাটা যোদ্ধা Logo আশা শিক্ষা কর্মসূচী কর্তৃক অভিভাবক মতবিনিময় সভা Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ! Logo দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: কালবে সর্বোচ্চ পদ দখলে রেখেছে আগস্টিন! Logo আইআইএফসি ও মার্কটেল বাংলাদেশ’র মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর




সোনাইমুড়ীতে পুকুরের মাছ ধরা কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষকে হয়রানী মামলা 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০১৯ ১০১ বার পড়া হয়েছে

সোনাইমুড়ী প্রতিনিধি:

সোনাইমুড়ী উপজেলার পতিশ গ্রামে সম্পত্তি বিরোধের জের ধরে ওয়াশিদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আংশকা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে পুকুরের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ দিয়ে প্রতিপক্ষকে হয়রানী শুরু হয়েছে। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, সোনাইমুড়ী উপজেলার ৩৪নং পতিশ মৌজায় জেলাজরিফী ৮৮ ও এমআরআর ৯৫নং খতিয়ানের কতেক সম্পত্তি নিয়ে মৃত আবদুল হালিম এর ওয়ারিশগণের সাথে মৃত লাল মিয়া, আজহার মিয়া ও আবদুল মন্নান এর ওয়ারিশগণের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ মামলা মোকর্দমা চলে আসছে। এরই মধ্যে গত ১৭ জুন তারিখে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ চরমে যায়। মৃত লাল মিয়ার পুত্র লোকমান হোসেন জানায় বিরোধীয় পুকুরে আগের দিন তাদের প্রতিপক্ষ সোহেল লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক মাছ ধরে নেয়। পরদিন লোকমান হেসেন গং মাছ ধরতে নামলে সোহেল সন্ত্রাসী দিয়ে বাধা দেয়। দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানার এসআই ফারুক ঘটনাস্থলে গিয়ে সোহেলের ভাগিনা সুমনকে দায়িত্ব দেয় মাছগুলো বিক্রি করে টাকা থানায় জমা দিতে। সেই মোতাবেক মাছ বিক্রি করে সুমন ২৮ হাজার টাকা থানায় জমা দেয়। এরমধ্যে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে কে বা কারা পুকুরে বিশ দেয় ও মাছ লুটের মিথ্যা অভিযোগ এনে সোহেল বিজ্ঞ বিচারক ম্যাজিষ্ট্রেট ৬নং আমলী আদালত নোয়াখালীতে পিটিশন মামলা দেয়। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য সোনাইমুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




সোনাইমুড়ীতে পুকুরের মাছ ধরা কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষকে হয়রানী মামলা 

আপডেট সময় : ১০:১৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০১৯

সোনাইমুড়ী প্রতিনিধি:

সোনাইমুড়ী উপজেলার পতিশ গ্রামে সম্পত্তি বিরোধের জের ধরে ওয়াশিদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আংশকা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে পুকুরের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ দিয়ে প্রতিপক্ষকে হয়রানী শুরু হয়েছে। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, সোনাইমুড়ী উপজেলার ৩৪নং পতিশ মৌজায় জেলাজরিফী ৮৮ ও এমআরআর ৯৫নং খতিয়ানের কতেক সম্পত্তি নিয়ে মৃত আবদুল হালিম এর ওয়ারিশগণের সাথে মৃত লাল মিয়া, আজহার মিয়া ও আবদুল মন্নান এর ওয়ারিশগণের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ মামলা মোকর্দমা চলে আসছে। এরই মধ্যে গত ১৭ জুন তারিখে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ চরমে যায়। মৃত লাল মিয়ার পুত্র লোকমান হোসেন জানায় বিরোধীয় পুকুরে আগের দিন তাদের প্রতিপক্ষ সোহেল লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক মাছ ধরে নেয়। পরদিন লোকমান হেসেন গং মাছ ধরতে নামলে সোহেল সন্ত্রাসী দিয়ে বাধা দেয়। দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানার এসআই ফারুক ঘটনাস্থলে গিয়ে সোহেলের ভাগিনা সুমনকে দায়িত্ব দেয় মাছগুলো বিক্রি করে টাকা থানায় জমা দিতে। সেই মোতাবেক মাছ বিক্রি করে সুমন ২৮ হাজার টাকা থানায় জমা দেয়। এরমধ্যে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে কে বা কারা পুকুরে বিশ দেয় ও মাছ লুটের মিথ্যা অভিযোগ এনে সোহেল বিজ্ঞ বিচারক ম্যাজিষ্ট্রেট ৬নং আমলী আদালত নোয়াখালীতে পিটিশন মামলা দেয়। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য সোনাইমুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে।