ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার অনুকরণীয় মডেল বাংলাদেশ’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস প্রতিবেদকঃ আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার এক অনুকরণীয় মডেল বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিসিক মিলনায়তনে তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলা-২০১৮ উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে বাংলাদেশ সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পর এসডিজি অর্জনের পথে দ্রুত সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে এগিয়ে চলেছে। এ অর্জনের পেছনে সমৃদ্ধ শিল্পখাত ইতিবাচক অবদান রাখছে।

বিগত দশ বছরে দেশের শিল্প, সেবা ও কৃষিসহ সবখাতে উৎপাদনশীলতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

ইতোমধ্যে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৩৩ দশমিক ৭১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা ২০০৭-১৮ অর্থবছরে ছিল ১৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

তিনি বলেন, আর্থ সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে অনেক এগিয়ে।

তিনি বিগত দশ বছরের তুলনামূলক সাফল্য উল্লেখ করে বলেন, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে দেশের মাথাপিছু আয় ছিল ৫৪৩ মার্কিন ডলার। এটি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৭৫১ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সময় দারিদ্র্যের হার ৪১.৫ শতাংশ থেকে কমে ২১.৮ শতাংশ, প্রবৃদ্ধির হার ৫.৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭.৮৬ শতাংশ, রফতানির পরিমাণ ১০.৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩৬.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩.৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৩৩.৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, জিডিপির আকার চার লাখ ৮২ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা, বৈদেশিক বিনিয়োগ ০.৭৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে প্রায় তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি বাজেটের আকার ৬১ হাজার ৫৭ কোটি টাকা বেড়ে চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা, এডিপির আকার ১৯ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে এক লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা, সামাজিক নিরাপত্তাখাতে বরাদ্দ ৩৭৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬৪ হাজার ৬৫৬ কোটি টাকা, দানাদার শস্য উৎপাদন এক কোটি ৮০ লাখ মেট্রিক টন থেকে বেড়ে ৪.২ কোটি মেট্রিক টন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা চার হাজার ৯০০ মেগাওয়াট থেকে বেড়ে ২০ হাজার মেগাওয়াট এবং মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ৭.১৬ শতাংশ থেকে কমে ৫.১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিল্প মন্ত্রণালয়েল ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আবদুল হালিম। এ সময় বিসিক চেয়ারম্যান মুস্তাক হাসান মোহাম্মদ ইফতেখার উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এ মেলা আগামী ১৩ ডিসেম্বর শেষ হবে। এতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ পণ্য, প্রযুক্তি ও সেবা প্রদর্শন করছে। সবার জন্য উন্মুক্ত এ মেলা প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার অনুকরণীয় মডেল বাংলাদেশ’

আপডেট সময় : ১২:১০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

 

নিজস প্রতিবেদকঃ আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার এক অনুকরণীয় মডেল বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিসিক মিলনায়তনে তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলা-২০১৮ উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে বাংলাদেশ সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পর এসডিজি অর্জনের পথে দ্রুত সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে এগিয়ে চলেছে। এ অর্জনের পেছনে সমৃদ্ধ শিল্পখাত ইতিবাচক অবদান রাখছে।

বিগত দশ বছরে দেশের শিল্প, সেবা ও কৃষিসহ সবখাতে উৎপাদনশীলতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

ইতোমধ্যে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৩৩ দশমিক ৭১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা ২০০৭-১৮ অর্থবছরে ছিল ১৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

তিনি বলেন, আর্থ সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে অনেক এগিয়ে।

তিনি বিগত দশ বছরের তুলনামূলক সাফল্য উল্লেখ করে বলেন, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে দেশের মাথাপিছু আয় ছিল ৫৪৩ মার্কিন ডলার। এটি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৭৫১ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সময় দারিদ্র্যের হার ৪১.৫ শতাংশ থেকে কমে ২১.৮ শতাংশ, প্রবৃদ্ধির হার ৫.৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭.৮৬ শতাংশ, রফতানির পরিমাণ ১০.৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩৬.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩.৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৩৩.৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, জিডিপির আকার চার লাখ ৮২ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা, বৈদেশিক বিনিয়োগ ০.৭৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে প্রায় তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি বাজেটের আকার ৬১ হাজার ৫৭ কোটি টাকা বেড়ে চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা, এডিপির আকার ১৯ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে এক লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা, সামাজিক নিরাপত্তাখাতে বরাদ্দ ৩৭৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬৪ হাজার ৬৫৬ কোটি টাকা, দানাদার শস্য উৎপাদন এক কোটি ৮০ লাখ মেট্রিক টন থেকে বেড়ে ৪.২ কোটি মেট্রিক টন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা চার হাজার ৯০০ মেগাওয়াট থেকে বেড়ে ২০ হাজার মেগাওয়াট এবং মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ৭.১৬ শতাংশ থেকে কমে ৫.১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিল্প মন্ত্রণালয়েল ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আবদুল হালিম। এ সময় বিসিক চেয়ারম্যান মুস্তাক হাসান মোহাম্মদ ইফতেখার উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এ মেলা আগামী ১৩ ডিসেম্বর শেষ হবে। এতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ পণ্য, প্রযুক্তি ও সেবা প্রদর্শন করছে। সবার জন্য উন্মুক্ত এ মেলা প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে।