ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী

আহসানউল্লাহ মাস্টারের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ছিল অনুকরণীয়- মুক্তিযুদ্ধা মন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০১৯ ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ ডেস্ক; 

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টার শুধু গাজীপুর নয় , সারাদেশের কৃতি সন্তান ছিলেন । তিনি শুধু শ্রমজীবী মানুষের নেতা নয় , ছিলেন গণমানুষের নেতা। তিনি জাতির জন্য জীবন দান করেছেন । স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে ।
তাকে শুধু শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করলেই হবে না, তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করতে হবে । তার জ্ঞান, শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে ,জীবনে কাজে লাগাতে হবে । তার রক্ত যেন বৃথা না যায় এজন্য তার আদর্শের বাস্তবায়ন করতে হবে।

রবিবার, সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তন, ঢাকায় শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টারএর ১৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায়
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি একথা বলেন ।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তখনকার ক্ষমতাসীন সরকার এ জঘন্য হত্যাকাণ্ডের পর তদন্ত ছাড়াই দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল বলে চালিয়ে দেন। এমনকি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা তখন সংসদে নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা করলেও তা করতে দেয়া হয়নি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের সুযোগ্য সন্তান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের বর্ণাঢ্য জীবনী ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরেন । তিনি কিভাবে দেরাদুনে প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর দেশের জন্য যুদ্ধ করেন, স্বাধীনতার পর শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন, সব কিছু সবিস্তারে ববর্ণনা করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের ইচ্ছায় প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পরে উপজেলা চেয়ারম্যান, সর্বশেষে জাতীয় সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। আজীবন তিনি মানুষের সেবা করে গেছেন।

স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, এডভোকেট আহসানউল্লাহ মাস্টার স্মৃতি পরিষদের সভাপতি এডভোকেট আব্দুল বাতেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শামসুন্নাহার ভুঁইয়া এমপি ও জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কূর আহমেদ , সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টার ।মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডঃ হারুন-অর-রশীদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক আতাউর রহমান ।
বক্তাগণ একবাক্যে বলেন, তার মতো সজ্জন ও জনদরদী মানুষ বিরল। তারা শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যাকাণ্ডের রায় দ্রুত কার্যকরী করার আহবান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

আহসানউল্লাহ মাস্টারের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ছিল অনুকরণীয়- মুক্তিযুদ্ধা মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:২৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০১৯

সকালের সংবাদ ডেস্ক; 

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টার শুধু গাজীপুর নয় , সারাদেশের কৃতি সন্তান ছিলেন । তিনি শুধু শ্রমজীবী মানুষের নেতা নয় , ছিলেন গণমানুষের নেতা। তিনি জাতির জন্য জীবন দান করেছেন । স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে ।
তাকে শুধু শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করলেই হবে না, তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করতে হবে । তার জ্ঞান, শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে ,জীবনে কাজে লাগাতে হবে । তার রক্ত যেন বৃথা না যায় এজন্য তার আদর্শের বাস্তবায়ন করতে হবে।

রবিবার, সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তন, ঢাকায় শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টারএর ১৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায়
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি একথা বলেন ।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তখনকার ক্ষমতাসীন সরকার এ জঘন্য হত্যাকাণ্ডের পর তদন্ত ছাড়াই দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল বলে চালিয়ে দেন। এমনকি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা তখন সংসদে নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা করলেও তা করতে দেয়া হয়নি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের সুযোগ্য সন্তান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের বর্ণাঢ্য জীবনী ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরেন । তিনি কিভাবে দেরাদুনে প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর দেশের জন্য যুদ্ধ করেন, স্বাধীনতার পর শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন, সব কিছু সবিস্তারে ববর্ণনা করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের ইচ্ছায় প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পরে উপজেলা চেয়ারম্যান, সর্বশেষে জাতীয় সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। আজীবন তিনি মানুষের সেবা করে গেছেন।

স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, এডভোকেট আহসানউল্লাহ মাস্টার স্মৃতি পরিষদের সভাপতি এডভোকেট আব্দুল বাতেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শামসুন্নাহার ভুঁইয়া এমপি ও জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কূর আহমেদ , সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টার ।মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডঃ হারুন-অর-রশীদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক আতাউর রহমান ।
বক্তাগণ একবাক্যে বলেন, তার মতো সজ্জন ও জনদরদী মানুষ বিরল। তারা শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যাকাণ্ডের রায় দ্রুত কার্যকরী করার আহবান জানান।