ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

তুরস্কের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) প্রশ্নে তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

একইসঙ্গে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

আজ সোমবার দুপুরে শিল্প মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মনোভাব দেখান বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্ক এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। আসন্ন তুরস্ক সফরে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিনিয়োগ সংস্থার সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

এসময় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ফল আমদানিতে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে তুরস্কের ফলমূল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচিতি ও যোগাযোগের তথ্য চায় বাংলাদেশ। এসব তথ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্পের বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও গুরুত্ব পায়। এ ধরনের বর্জ্য পরিশোধন, সংরক্ষণ ও নিরাপদ নিষ্পত্তির জন্য তুরস্কে বিশেষায়িত ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (টিএসডিএফ) রয়েছে। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হয়।

চামড়া শিল্প প্রসঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানান, পরিবেশগত কারণে তার দেশে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ট্যানারি কার্যক্রম কমেছে। একই সঙ্গে সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং কাঁচামাল আমদানির প্রবণতা বেড়েছে।

রাষ্ট্রদূত কমসেকের অধীনে অনুষ্ঠেয় আসন্ন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন এবং ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট ও হালাল এক্সপোতে বাংলাদেশকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কমসেকের মূল সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী অংশ নেবেন। পরবর্তী সম্মেলনগুলোতে বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

বৈঠকে শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান, তুরস্ক দূতাবাসের ইকনমিক কাউন্সিলর এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

তুরস্কের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) প্রশ্নে তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

একইসঙ্গে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

আজ সোমবার দুপুরে শিল্প মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মনোভাব দেখান বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্ক এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। আসন্ন তুরস্ক সফরে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিনিয়োগ সংস্থার সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

এসময় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ফল আমদানিতে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে তুরস্কের ফলমূল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচিতি ও যোগাযোগের তথ্য চায় বাংলাদেশ। এসব তথ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্পের বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও গুরুত্ব পায়। এ ধরনের বর্জ্য পরিশোধন, সংরক্ষণ ও নিরাপদ নিষ্পত্তির জন্য তুরস্কে বিশেষায়িত ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (টিএসডিএফ) রয়েছে। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হয়।

চামড়া শিল্প প্রসঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানান, পরিবেশগত কারণে তার দেশে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ট্যানারি কার্যক্রম কমেছে। একই সঙ্গে সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং কাঁচামাল আমদানির প্রবণতা বেড়েছে।

রাষ্ট্রদূত কমসেকের অধীনে অনুষ্ঠেয় আসন্ন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন এবং ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট ও হালাল এক্সপোতে বাংলাদেশকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কমসেকের মূল সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী অংশ নেবেন। পরবর্তী সম্মেলনগুলোতে বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

বৈঠকে শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান, তুরস্ক দূতাবাসের ইকনমিক কাউন্সিলর এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।