ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

অক্টোবরে শেষ হতে পারে জিয়াউলের মামলার বিচার কাজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে শতাধিক গুম-খুনের অপরাধে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের মামলার বিচারিক কার্যক্রম আগামী অক্টোবরের মধ্যে শেষ হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ১০৪ জনকে গুম ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এ মামলায় ১৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনাল-১ এ এসে জবানবন্দি দিয়েছেন সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমান। তার জেরা শেষ হয়েছে আজ। এ মামলায় আমরা ট্রাইব্যুনালে দালিলিক, প্রত্যক্ষদর্শীসহ যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেছি। এর মাধ্যমে জিয়াউলের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া সম্ভব। তবে শাস্তি দেওয়ার কোনো এখতিয়ার আমাদের নয়। আমরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এসব দাবি তুলে ধরবো।

তিনি বলেন, এ মামলার প্রত্যেকটি অভিযোগে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী আমরা উপস্থাপন করেছি। সাক্ষীরা জিয়াউলেরই অধীন ছিলেন। তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও দু-একজন রয়েছেন। আমাদের তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত হলে আইন অনুযায়ী যদি আসামিপক্ষ মনে করেন যে, তারা সাফাই সাক্ষ্য দেবেন, তাহলে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তারা দিতে পারবেন। এখন পর্যন্ত তারা আমাদের দুজন সাক্ষীর তালিকা দিয়েছেন। তারা দেবেন কি না, তা সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে নির্ধারিত হবে।

মামলার বিচারকাজ কবে নাগাদ শেষ হবে তা উল্লেখ করে প্রসিকিউটর মিজানুল বলেন, কবে নাগাদ মামলা শেষ হবে, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব ট্রাইব্যুনালের। কারণ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ এখনও শেষ হয়নি। তবে আমরা আশা করছি যে, স্বাভাবিক গতিতে চললে অক্টোবর মাসের মধ্যে উভয়পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক সমাপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

অক্টোবরে শেষ হতে পারে জিয়াউলের মামলার বিচার কাজ

আপডেট সময় : ০৮:০৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে শতাধিক গুম-খুনের অপরাধে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের মামলার বিচারিক কার্যক্রম আগামী অক্টোবরের মধ্যে শেষ হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ১০৪ জনকে গুম ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এ মামলায় ১৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনাল-১ এ এসে জবানবন্দি দিয়েছেন সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমান। তার জেরা শেষ হয়েছে আজ। এ মামলায় আমরা ট্রাইব্যুনালে দালিলিক, প্রত্যক্ষদর্শীসহ যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেছি। এর মাধ্যমে জিয়াউলের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া সম্ভব। তবে শাস্তি দেওয়ার কোনো এখতিয়ার আমাদের নয়। আমরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এসব দাবি তুলে ধরবো।

তিনি বলেন, এ মামলার প্রত্যেকটি অভিযোগে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী আমরা উপস্থাপন করেছি। সাক্ষীরা জিয়াউলেরই অধীন ছিলেন। তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও দু-একজন রয়েছেন। আমাদের তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত হলে আইন অনুযায়ী যদি আসামিপক্ষ মনে করেন যে, তারা সাফাই সাক্ষ্য দেবেন, তাহলে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তারা দিতে পারবেন। এখন পর্যন্ত তারা আমাদের দুজন সাক্ষীর তালিকা দিয়েছেন। তারা দেবেন কি না, তা সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে নির্ধারিত হবে।

মামলার বিচারকাজ কবে নাগাদ শেষ হবে তা উল্লেখ করে প্রসিকিউটর মিজানুল বলেন, কবে নাগাদ মামলা শেষ হবে, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব ট্রাইব্যুনালের। কারণ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ এখনও শেষ হয়নি। তবে আমরা আশা করছি যে, স্বাভাবিক গতিতে চললে অক্টোবর মাসের মধ্যে উভয়পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক সমাপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।