প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল প্রতিনিধিদলের বৈঠক
- আপডেট সময় : ০৭:১৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ১৫০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।
আজ (বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বৈঠকের তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। প্রতিনিধিদলে এক্সিলারেট এনার্জি, শেভরন, মেটা, মেটলাইফ, বোয়িং, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকসহ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এক্সিলারেট এনার্জির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ কমার্শিয়াল অফিসার অলিভার সিম্পসন এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপ।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষি, অর্থনীতি ও অন্যান্য খাতের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত দলটি বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে ঢাকায় এসেছে।
গত ১১ আগস্ট ইউএসবিবিসির প্রতিনিধি দলটি ঢাকায় আসে। তিন দিনের সফর আজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সফরে তারা জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষি, ডিজিটাল অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উন্নত উৎপাদন ও আর্থিক খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করছে।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে কীভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা অংশ নেন। কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এক্সিলারেট এনার্জি, শেভরন, মেটা, মেটলাইফ, বোয়িং ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।
একই সময়ে ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশপ বলেন, আজ বৈঠকে যে ২৫টি কোম্পানির প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন, সেসব কোম্পানি হলো বাংলাদেশে শীর্ষ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ হতে চায়। এ জন্য বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগ ও কারিগরি জ্ঞানের মাধ্যমে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।
এসময় বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো বেশ উৎসাহব্যঞ্জক, যা বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।




















