ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেক ভালো: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৩ ৩২২ বার পড়া হয়েছে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘‘বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের খুবই ভালো সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের রপ্তানি পণ্যের অন্যতম ক্রেতা এবং অন্যতম বড় বিনিয়োগকারী দেশ।”

শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত শিখা চিরন্তন প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘র‌্যাব বা নির্দিষ্ট একটা ইস্যু নিয়ে একটা দেশের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্যায়ন হয় না। আমাদের সঙ্গে তাদের নানা ধরনের বিষয় জড়িত।

আন্তর্জাতিক সংগঠন পিস রান কর্তৃক আয়োজিত ‘‘পিস রান বাংলাদেশ ৬-১০ জানুয়ারি ২০২৩” শীর্ষক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রিলে দৌড়ের ক্যাপ্টেন অর্পণ ডি এঞ্জেলো, শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা প্রমুখ।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের নীতিগত মিল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করতে চায়, আর আমাদের দেশে গণতন্ত্র বিরাজমান। তারা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায় আর আমাদের দেশের ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছে শুধু মানবাধিকার অর্জনের জন্য। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী মহাসচিব বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। আমরা তার সফরকে স্বাগত জানাই।

তিনি বলেন, উনি আসলে নানাবিধ বিষয় নিয়ে আলাপ হবে। আশা করি তার সফরের মধ্যে দিয়ে আমাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক আরও উন্নতি হবে।

মিয়ানমার ইস্যুতে মন্ত্রী বলেন, আমরা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই। আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করতে চাই। তাই আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। পরিবেশ সৃষ্টি হলে অবশ্যই আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করা যাবে। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম একটা বৈশিষ্ট্য হলো সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সব সমস্যার সমাধান আমরা শান্তিপূর্ণভাবে চাই। ইতোমধ্যেই পানি চুক্তি, সীমান্ত চুক্তি অথবা সমুদ্রসীমা নির্ধারণ- সব সমস্যার সমাধান আমরা শান্তিপূর্ণভাবে করেছি। একটা বুলেটও ছোড়া হয়নি।

বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পহেলা জানুয়ারি আমরা আমাদের ৮২টি বিদেশি মিশনপ্রধানের সঙ্গে বসেছি। তারা কী চায়, আমরা জানতে চেয়েছি। তারা কীভাবে আমাদের সহযোগিতা করতে পারে, তাও জানতে চেয়েছি।

মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশের ধারণা দিয়েছেন। স্মার্ট বাংলাদেশের মাধ্যমে আমরা চাই সম্পদের দক্ষ ব্যবহার করে সর্বোচ্চ উৎপাদন এবং সন্তোষজনক সেবা নিশ্চিত করতে। সম্পদের স্বল্প খরচ করে মানুষের মঙ্গলের জন্য সবচেয়ে বেশি কীভাবে অর্জন করা যায়, সে ব্যাপারে তারা যদি আমাদের কোনো সহযোগিতা করতে পারেন; তাহলে তা করতে আমরা অনুরোধ করেছি।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের বৈদেশিক নীতির তিনটি প্রধান নীতি সম্পর্কে আমরা তাদের অবহিত করেছি। তা হলো- বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করা এবং মানুষের আরও বেশি কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। আমারা শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই এবং এগুলো অর্জনের জন্য যা যা করা দরকার, সে ব্যাপারে আমরা তাদের দিক-নির্দেশনা দিয়েছি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেক ভালো: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৩

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘‘বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের খুবই ভালো সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের রপ্তানি পণ্যের অন্যতম ক্রেতা এবং অন্যতম বড় বিনিয়োগকারী দেশ।”

শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত শিখা চিরন্তন প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘র‌্যাব বা নির্দিষ্ট একটা ইস্যু নিয়ে একটা দেশের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্যায়ন হয় না। আমাদের সঙ্গে তাদের নানা ধরনের বিষয় জড়িত।

আন্তর্জাতিক সংগঠন পিস রান কর্তৃক আয়োজিত ‘‘পিস রান বাংলাদেশ ৬-১০ জানুয়ারি ২০২৩” শীর্ষক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রিলে দৌড়ের ক্যাপ্টেন অর্পণ ডি এঞ্জেলো, শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা প্রমুখ।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের নীতিগত মিল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করতে চায়, আর আমাদের দেশে গণতন্ত্র বিরাজমান। তারা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায় আর আমাদের দেশের ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছে শুধু মানবাধিকার অর্জনের জন্য। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী মহাসচিব বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। আমরা তার সফরকে স্বাগত জানাই।

তিনি বলেন, উনি আসলে নানাবিধ বিষয় নিয়ে আলাপ হবে। আশা করি তার সফরের মধ্যে দিয়ে আমাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক আরও উন্নতি হবে।

মিয়ানমার ইস্যুতে মন্ত্রী বলেন, আমরা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই। আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করতে চাই। তাই আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। পরিবেশ সৃষ্টি হলে অবশ্যই আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করা যাবে। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম একটা বৈশিষ্ট্য হলো সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সব সমস্যার সমাধান আমরা শান্তিপূর্ণভাবে চাই। ইতোমধ্যেই পানি চুক্তি, সীমান্ত চুক্তি অথবা সমুদ্রসীমা নির্ধারণ- সব সমস্যার সমাধান আমরা শান্তিপূর্ণভাবে করেছি। একটা বুলেটও ছোড়া হয়নি।

বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পহেলা জানুয়ারি আমরা আমাদের ৮২টি বিদেশি মিশনপ্রধানের সঙ্গে বসেছি। তারা কী চায়, আমরা জানতে চেয়েছি। তারা কীভাবে আমাদের সহযোগিতা করতে পারে, তাও জানতে চেয়েছি।

মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশের ধারণা দিয়েছেন। স্মার্ট বাংলাদেশের মাধ্যমে আমরা চাই সম্পদের দক্ষ ব্যবহার করে সর্বোচ্চ উৎপাদন এবং সন্তোষজনক সেবা নিশ্চিত করতে। সম্পদের স্বল্প খরচ করে মানুষের মঙ্গলের জন্য সবচেয়ে বেশি কীভাবে অর্জন করা যায়, সে ব্যাপারে তারা যদি আমাদের কোনো সহযোগিতা করতে পারেন; তাহলে তা করতে আমরা অনুরোধ করেছি।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের বৈদেশিক নীতির তিনটি প্রধান নীতি সম্পর্কে আমরা তাদের অবহিত করেছি। তা হলো- বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করা এবং মানুষের আরও বেশি কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। আমারা শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই এবং এগুলো অর্জনের জন্য যা যা করা দরকার, সে ব্যাপারে আমরা তাদের দিক-নির্দেশনা দিয়েছি।