ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার Logo মোহনা টিভি দখলের অপচেষ্টা: মিরপুরে উত্তেজনা, থানায় জিডি Logo মোহনা টিভির ১৪ হাজার টাকার কর্মচারী শত কোটি টাকার মালিক: বর্তমানে ‘স্বঘোষিত’ সিইও তসলিম আওয়ামী এজেন্ট  Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo “বেইলী রোডের অগ্নিদগ্ধ ৪৬ লাশ” কিছু প্রশ্ন ও উত্তর খোঁজার চেষ্টা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা Logo থাইল্যান্ডের চিকিৎসা নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশে সেবা সম্প্রসারণে আগ্রহ ব্যাংককের বিএনএইচ হাসপাতালের Logo প্রধান প্রকৌশলীর বদলির আদেশ অমান্য, ঢাকাতেই বহাল ফ্যাসিস্টের দোসর উপসহকারী আব্দুল্লাহ-আল-মামুন Logo কক্সবাজারের রাজাঘাট রেঞ্জে বন ধ্বংসের মহোৎসব, অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে উজাড়ের শঙ্কা Logo উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মাস্টাররোল কর্মচারীর সম্পদের পাহাড়

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষকদের হাতে তুলে দিয়েছিল শানু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২০ ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

 

দিনাজপুরের বিরলে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতররা হলো বিরল উপজেলার পলাশবাড়ী ইউপির মুন্সিপাড়ার বুদু মোহাম্মদের ছেলে লিটন হোসেন (৩০) ও রাণীপুকুর গ্রামের সুমনের মেয়ে মোসা. শানু (২৪)। এ ঘটনার আরেক আসামি কটিয়াপাড়ার বেলাল হোসেনে ছেলে মোস্তফা ওরফে ধলু (২৮) পলাতক রয়েছেন।

বিরল থানায় দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে ঢাকায় ভালো বেতনের চাকরিসহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ও ফুসলিয়ে মোসা. শানু ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া নাবালিকা কন্যাকে লিটন হোসেন ও মোস্তফার হাতে তুলে দেয়। পরে শানুর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তায় অটোযোগে প্রথমে চককাঞ্চন এলাকার জীবনমহল পার্কে নিয়ে গিয়ে একটি ঘরে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে লিটন ও মোস্তফা জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর ভিকটিমকে পরের দিন ঢাকার বাইপাইল নামক স্থানে অজ্ঞাতনামা এক বাসায় নিয়ে গিয়ে আবারো দুজনে ধর্ষণ করে।

এদিকে ভিকটিমের পরিবার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে না পেয়ে সন্ধ্যানকালে ভিকটিমের সঙ্গে শানুকে এলাকার লোকজন কথা বলতে দেখেছে বলে জানতে পারে। এ সময় শানুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে ভিকটিমকে ওই দুজনের হাতে তুলে দেওয়ার কথা স্বীকার করে। এরপর মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে ৪ অক্টোবর রাতে ভিকটিম বাড়িতে ফিরে এসে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। পরে ভিকটিমের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরদিন সোমবার রাতে উল্লেখিত তিনজনের বিরুদ্ধে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত ২০০৩) ৭/৯(৩)/৩০ ধারায় বিরল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরই ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিরল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল কাদের জানান, মামলাটি তদন্তাধীন। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন করা হয়েছে। এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামি মোস্তফাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষকদের হাতে তুলে দিয়েছিল শানু

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২০

 

দিনাজপুরের বিরলে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতররা হলো বিরল উপজেলার পলাশবাড়ী ইউপির মুন্সিপাড়ার বুদু মোহাম্মদের ছেলে লিটন হোসেন (৩০) ও রাণীপুকুর গ্রামের সুমনের মেয়ে মোসা. শানু (২৪)। এ ঘটনার আরেক আসামি কটিয়াপাড়ার বেলাল হোসেনে ছেলে মোস্তফা ওরফে ধলু (২৮) পলাতক রয়েছেন।

বিরল থানায় দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে ঢাকায় ভালো বেতনের চাকরিসহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ও ফুসলিয়ে মোসা. শানু ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া নাবালিকা কন্যাকে লিটন হোসেন ও মোস্তফার হাতে তুলে দেয়। পরে শানুর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তায় অটোযোগে প্রথমে চককাঞ্চন এলাকার জীবনমহল পার্কে নিয়ে গিয়ে একটি ঘরে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে লিটন ও মোস্তফা জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর ভিকটিমকে পরের দিন ঢাকার বাইপাইল নামক স্থানে অজ্ঞাতনামা এক বাসায় নিয়ে গিয়ে আবারো দুজনে ধর্ষণ করে।

এদিকে ভিকটিমের পরিবার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে না পেয়ে সন্ধ্যানকালে ভিকটিমের সঙ্গে শানুকে এলাকার লোকজন কথা বলতে দেখেছে বলে জানতে পারে। এ সময় শানুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে ভিকটিমকে ওই দুজনের হাতে তুলে দেওয়ার কথা স্বীকার করে। এরপর মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে ৪ অক্টোবর রাতে ভিকটিম বাড়িতে ফিরে এসে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। পরে ভিকটিমের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরদিন সোমবার রাতে উল্লেখিত তিনজনের বিরুদ্ধে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত ২০০৩) ৭/৯(৩)/৩০ ধারায় বিরল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরই ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিরল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল কাদের জানান, মামলাটি তদন্তাধীন। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন করা হয়েছে। এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামি মোস্তফাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।