প্রধানমন্ত্রীর আদেশ জাল করা ছাত্রলীগ নেতা মুমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

সকালের সংবাদ ডেস্ক;সকালের সংবাদ ডেস্ক;
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ, ১৭ মে ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক;
প্রকল্পের কাজের তদবির করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না হয়েও থাকতেন আবাসিক হলে। প্রধানমন্ত্রীর অফিসের নকল নথি তৈরিসহ প্রতারণার মাধ্যমে হয়েছেন বিপুল সম্পদের মালিক।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার নানা কৌশলের কথা জানিয়েছেন বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা তরিকুল ইসলাম মুমিন।

নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ নিয়োগের নথিতে একজনের নামে টিক চিহ্ন দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আর সে নথি বের করে নিয়ে ঘষামাজা করে আরেকজনকে নিয়োগের ব্যবস্থা করেছিলেন ছাত্রলীগের তরিকুল ইসলাম মুমিনসহ একটি সিন্ডিকেট।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নথি বের করে জালিয়াতির অভিযোগের মামলায় মুমিনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফরহাদ, বিনিয়োগ বোর্ডের কর্মচারী নাজিমউদ্দিন, আরেক সহযোগী ফাতেমা দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। মুমিনসহ সবাই এখন কারাগারে রয়েছেন।

ঢাকার কয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের তদবির করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও আছে মুমিনের বিরুদ্ধে।

গ্রেপ্তার হওয়ার পর মুমিনকে বহিষ্কার করে ছাত্রলীগ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। অভিযোগ রয়েছে, টাকার বিনিময়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে ঢোকারও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না হয়েও থাকতেন আবাসিক হলে।

তবে টাকার বিনিময়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে পদ দেয়া অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানি বলছেন, দলের এক বড় নেতার নির্দেশেই মমিনকে পদ দেয়া হয়।

মামলার আরেক আসামি বিনিয়োগ বোর্ডের কর্মচারী নাজিমউদ্দিন মোহাম্মদপুরের রাজিয়া সুলতানা রোডে কয়েক কোটি টাকায় জমিসহ ছয়তলা এই বাড়ি কিনেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :