ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মির্জাগঞ্জ এলজিইডি প্রকৌশলী আশিকুরের ঘুস-দুর্নীতি! Logo দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি ; বিপাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা Logo পরিবেশের জন্য ই-বর্জ্য হুমকি স্বরূপ ; তা উত্তরণের উপায় Logo বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ Logo ঐতিহ্যবাহী সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির কমিটি গঠন Logo চেয়ারম্যানের আহ্লাদে বেপরোয়া বিআইডব্লিউটিএ‘র কর্মচারি পান্না বিশ্বাস! Logo রাজউকে বদলী ও পদায়নে ভয়ংকর দুর্নীতি ফাঁস: নেপথ্য নায়ক প্রধান প্রকৌশলী  Logo কুবির শেখ হাসিনা হলের গ্যাস লিক, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা Logo ইন্টার্ন চিকিৎসকের হাত-পা ভেঙে দিলেন সহকর্মীরা Logo ঐতিহ্যবাহী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে অফিসার্স কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত 




১১ বছরের গৃহকর্মীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, গৃহকর্তা গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ এপ্রিল ২০১৯ ৩২ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি; সাভারে ১১ বছরের গৃহকর্মীকে ছয় মাস আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত গৃহকর্তা ওমর ফারুককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ঝাউচর মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

শিশুটির বাবা ফজলুল হকের অভিযোগ, তার ভায়রার ছেলে আল-আমিন অভিযুক্ত ওমর ফারুকের বাড়ির পাশে বসবাস করে। এরই সূত্র ধরে তিন বছর আগে আল-আমিনের মাধ্যমে ওমর ফারুকের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ শুরু করে তার মেয়ে। কিন্তু এই দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে এলেও তার মেয়েকে কোনো পারিশ্রমিক দেয়নি ফারুক। তাই মেয়েকে ওই বাসা থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য একাধিকবার গেলেও ওমর ফারুক বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে তাড়িয়ে দেয়।

ফজলুল হক বলেন, একপর্যায়ে গত বুধবার মেয়েকে আনার জন্য ওমর ফারুকের বাসায় গেলে মেয়েকে একটি কক্ষের মধ্যে তালাবদ্ধ এবং অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পাই। এ সময় মেয়ে জানায়, গৃহকর্তা ওমর ফারুক গত ৬ মাস যাবৎ তাকে ধর্ষণ করে আসছে। সে বিষয়টি ওমর ফারুকের স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা শিমুকে জানালে তিনি উল্টো বিষয়টি কাউকে বললে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং মারধর করেন।

মেয়ের কাছ থেকে নির্যাতনের বিষয়টি জানার পর বুধবার ওমর ফারুক ও তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা শিমুকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহায়তা করার অভিযোগে মামলা করেন ফজলুল হক।

সাভার মডেল থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) সওগাতুল আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার পর ওই দিনই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত গৃহকর্তা ওমর ফারুককে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামি রাজিয়া সুলতানা পালাতক রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




১১ বছরের গৃহকর্মীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, গৃহকর্তা গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৩:৪১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ এপ্রিল ২০১৯

জেলা প্রতিনিধি; সাভারে ১১ বছরের গৃহকর্মীকে ছয় মাস আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত গৃহকর্তা ওমর ফারুককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ঝাউচর মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

শিশুটির বাবা ফজলুল হকের অভিযোগ, তার ভায়রার ছেলে আল-আমিন অভিযুক্ত ওমর ফারুকের বাড়ির পাশে বসবাস করে। এরই সূত্র ধরে তিন বছর আগে আল-আমিনের মাধ্যমে ওমর ফারুকের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ শুরু করে তার মেয়ে। কিন্তু এই দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে এলেও তার মেয়েকে কোনো পারিশ্রমিক দেয়নি ফারুক। তাই মেয়েকে ওই বাসা থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য একাধিকবার গেলেও ওমর ফারুক বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে তাড়িয়ে দেয়।

ফজলুল হক বলেন, একপর্যায়ে গত বুধবার মেয়েকে আনার জন্য ওমর ফারুকের বাসায় গেলে মেয়েকে একটি কক্ষের মধ্যে তালাবদ্ধ এবং অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পাই। এ সময় মেয়ে জানায়, গৃহকর্তা ওমর ফারুক গত ৬ মাস যাবৎ তাকে ধর্ষণ করে আসছে। সে বিষয়টি ওমর ফারুকের স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা শিমুকে জানালে তিনি উল্টো বিষয়টি কাউকে বললে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং মারধর করেন।

মেয়ের কাছ থেকে নির্যাতনের বিষয়টি জানার পর বুধবার ওমর ফারুক ও তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা শিমুকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহায়তা করার অভিযোগে মামলা করেন ফজলুল হক।

সাভার মডেল থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) সওগাতুল আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার পর ওই দিনই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত গৃহকর্তা ওমর ফারুককে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামি রাজিয়া সুলতানা পালাতক রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।