ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ




যশোর ১২ চিকিৎসকের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮ ৪০ বার পড়া হয়েছে

যশোর ব্যুরো ;যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের বর্তমান ও সাবেক ১২ জন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। শনিবার সকালে আদালতের আদেশের কপি হাসপাতালে পৌঁছেছে। চলতি মাসের চার তারিখে যশোরের স্পেশাল জজ আদালতের (জেলা জজ) বিচারক শেখ ফারুক হোসেন এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

পরোয়ানা জারি হওয়া চিকিৎসকরা হলেন, জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার আব্দুর রহমান, জি কেএম কামরুজ্জামান, এমএ লতিফ, কানিজ ফাতেমা, নাছির উদ্দিন, ফারুক এহতেশাম পরাগ, এমএ সামাদ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার আবু ইছাক আলী, মুসতাঈন বিল্লাহ, হাসান মাহমুদ হাদী, নজরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের।

এদের মধ্যে কানিজ ফাতেমা মেডিকের কলেজে, নাছির উদ্দিন ঝিকরগাছা, ফারুক এহতেশাম পরাগ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে, এমএ সামাদ ও ডা. আব্দুল কাদের যশোর হাসপাতালে কর্মরত আছেন। বাকি ৭ জন চিকিৎসক অবসরে গেছেন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু জানান, চিকিৎসকরা রোগীর জখমি সনদ, মৃত ব্যক্তি ময়না তদন্ত, ধর্ষণের প্রতিবেদন দিয়ে থাকেন। পরবর্তীতে এই প্রতিবেদনের আলোকে আদালত চিকিৎসকের সাক্ষ্য (বক্তব্য) নেয়ার জন্য তলব করেন। কিন্তু একাধিকবার সাক্ষ্য দিতে না যাওয়ায় আদালত অবমাননার অভিযোগে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। শনিবার সকালে আদেশ হাতে পেয়েছি, বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




যশোর ১২ চিকিৎসকের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮

যশোর ব্যুরো ;যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের বর্তমান ও সাবেক ১২ জন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। শনিবার সকালে আদালতের আদেশের কপি হাসপাতালে পৌঁছেছে। চলতি মাসের চার তারিখে যশোরের স্পেশাল জজ আদালতের (জেলা জজ) বিচারক শেখ ফারুক হোসেন এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

পরোয়ানা জারি হওয়া চিকিৎসকরা হলেন, জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার আব্দুর রহমান, জি কেএম কামরুজ্জামান, এমএ লতিফ, কানিজ ফাতেমা, নাছির উদ্দিন, ফারুক এহতেশাম পরাগ, এমএ সামাদ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার আবু ইছাক আলী, মুসতাঈন বিল্লাহ, হাসান মাহমুদ হাদী, নজরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের।

এদের মধ্যে কানিজ ফাতেমা মেডিকের কলেজে, নাছির উদ্দিন ঝিকরগাছা, ফারুক এহতেশাম পরাগ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে, এমএ সামাদ ও ডা. আব্দুল কাদের যশোর হাসপাতালে কর্মরত আছেন। বাকি ৭ জন চিকিৎসক অবসরে গেছেন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু জানান, চিকিৎসকরা রোগীর জখমি সনদ, মৃত ব্যক্তি ময়না তদন্ত, ধর্ষণের প্রতিবেদন দিয়ে থাকেন। পরবর্তীতে এই প্রতিবেদনের আলোকে আদালত চিকিৎসকের সাক্ষ্য (বক্তব্য) নেয়ার জন্য তলব করেন। কিন্তু একাধিকবার সাক্ষ্য দিতে না যাওয়ায় আদালত অবমাননার অভিযোগে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। শনিবার সকালে আদেশ হাতে পেয়েছি, বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।