ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মির্জাগঞ্জ এলজিইডি প্রকৌশলী আশিকুরের ঘুস-দুর্নীতি! Logo দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি ; বিপাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা Logo পরিবেশের জন্য ই-বর্জ্য হুমকি স্বরূপ ; তা উত্তরণের উপায় Logo বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ Logo ঐতিহ্যবাহী সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির কমিটি গঠন Logo চেয়ারম্যানের আহ্লাদে বেপরোয়া বিআইডব্লিউটিএ‘র কর্মচারি পান্না বিশ্বাস! Logo রাজউকে বদলী ও পদায়নে ভয়ংকর দুর্নীতি ফাঁস: নেপথ্য নায়ক প্রধান প্রকৌশলী  Logo কুবির শেখ হাসিনা হলের গ্যাস লিক, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা Logo ইন্টার্ন চিকিৎসকের হাত-পা ভেঙে দিলেন সহকর্মীরা Logo ঐতিহ্যবাহী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে অফিসার্স কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত 




মেন্টাল টর্চার সেল শরীয়তপুরের চরভাগা ইউনিয়ন পরিষদ পর্ব – ০১

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০২২ ৫৫ বার পড়া হয়েছে

মেন্টাল টর্চার সেল, চরভাগা ইউনিয়ন পরিষদ পর্ব – ০১

সকালের সংবাদ স্পেশাল:

তৃনমুল সেবার কর্মস্হল ইউনিয়ন পরিষদ। জনসেবার নামে চলে নীরব চান্দাবাজি , ঘুষ, কখনো স্বেচ্ছাচারিতা। আমার আজকের এই লেখাটি সত্যি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। কেউ হয়তোবা বিরাগভাজন হবেন – কেউ ছিঃ ছিঃ করবেন। তাতে আমি মোটেও বিচলিত নই। পরিস্থিতির শিকার হয়েই আজ আমার উপস্হাপনা । সময় বিশেষে সামাজিকতার খাতিরে অনেক সত্য কথা এড়িয়ে যেতে হয়। ঘুষখোর ভিআইপিদের মান সন্মান রক্ষার্থে মুখ বন্ধ রাখতে হয়। আজকে আর সইতে পারলাম না । ব্যথিতচিত্তে আজ থেকে পর্যায়ক্রমে এসব মুখোশধারি বুদ্ধিজীবিদের সামাজিক অবয়ব প্রকাশ করার চেষ্টা চলমান থাকবে…..

ঘটনা – ০১

আজ সকালে ( ০৮.০৩.২২) চরভাগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ বিষয়ে একটি নোটিশ স্হানীয় গ্রাম পুলিশ ইউছুফ হাওলাদার কতৃক আমার হস্তগত হয়েছে । বিষয়টি যথেষ্ট রকমের স্পর্শকাতর ।

অভিযোগকারী – আলি আহমদ ছৈয়াল
পিতার নাম – নেই ।
ঠিকানা – নেই

আশ্চর্যের বিষয় – জমি সংক্রান্ত এমন বেআইনী নোটিশ প্রদানের এখতিয়ার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের আছে কিনা আমার বোধগম্য নয়। একজন অপরিপক্ক লেখক নোটিশটির বিবরণী লিখেছেন এতে কোন সন্দেহ নাই।

ঘটনা – ০২

বর্তমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবীবুর রহমান সিকদার সাহেবের পরিষদ কক্ষে কয়েকজন কুশীলব আছেন। যারা চেয়ারম্যান শীপের ইমেজকে ক্রমশ প্রশ্নবিদ্ধ করে চলেছেন ।

চেয়ারম্যানকে সামনে রেখেই তাঁরা তাঁরাই কথা চালাচালি করেন। নরমাল সমস্যাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আরও জটিল করেন। বাদীপক্ষকে অভিযোগ খন্ডনের কোন সুযোগ না দিয়ে একতরফা রায় প্রদান করেন। এঁরা নিজকে আইনের বিশেষজ্ঞ মনে করেন। একটি বিবাদকে চুলকিয়ে চুলকিয়ে রক্তাক্ত করেন। বাদীপক্ষ অথবা বিবাদী পক্ষকে ভিন্ন ভিন্ন প্রক্রিয়ায় লাভের আশা দেখিয়ে চুষে চুষে নিজের পকেট ভারি করতে থাকেন।

এক পর্যায়ে সমস্যার জটিলতা দেখা দিলে কৌশলে একজন আরেক জনকে দোষারোপ করেন। একসময় বাদী- বিবাদী উভয়কে হয়রানি আর মানষিক চাপে রাখেন। আবার কখনো গ্রাম পুলিশের ভয় দেখিয়ে বাদীকে ধরে আনার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়।

ঘটনা – ০৩

সালিশ বানিজ্যের এমন নির্মমতার শিকার আমি নিজেও। বিগত দিনে আমার সাথে এমন দুইটি বেআইনী ঘটনা করা হয়েছে যা বিস্তারিত জানলে – আপনিও শিউরে উঠবেন।

চেয়ারম্যান ও সহকারী কুশীলবদের মান সন্মান রক্ষার্থে মুখ খুলি নাই। এবার খুলবো। দেখতে চাই – সিন্ডিকেট মহল কত্ত শক্তিশালী ? এ কারণে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের Tag করেছি কমপক্ষে উনাদের নজরে পড়ুক।

ঘটনা – ০৪

স্মরণ করিয়ে দিতে চাই —-

মাননীয় উপমন্ত্রী জননেতা একেএম এনামুল হক শামীম ভাইয়ের সুস্পষ্টভাবে মিটিংয়ে নির্দেশনা দিয়েছিলেন ” জমি জমা সংক্রান্ত কোন বিচার সালিশ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে করা যাবে না – তিনি এলাকার ঘুষ গ্রহণকারি মাতবরদের চিন্হিত করে তাদের প্রবেশধিকার নিষিদ্ধ করেছিলেন “। এই নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে চেয়ারম্যানকে পুঁজি করে নীরবে নিভৃতে কতিপয় মাতব্বর নিরীহগোছের জনগণের রক্ত চুষে সালিশ বানিজ্য করে চলেছেন – এই মানষিক নির্যাতনের শেষ কোথায় ?

ঘটনা – ০৫

যেভাবে সালিশ বানিজ্য শুরু হয় —-

চেয়ারম্যান সাহেবের শারীরিক অসুস্থতা ও বিচার বিশ্লেষণ করার অক্ষমতার সুযোগ নিয়ে একাধিক মাতব্বরের নেপথ্যে ইশারায় – বিবাদীর বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানের নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মীকে ১০০ – ৫০০ টাকা খরচ দিয়ে আর্জি লিখানো হয়। অতঃপর গ্রাম পুলিশকে ১০০/ ২০০ টাকা দিয়ে বিবাদীর বাড়িতে নোটিশ পাঠানো হয়। চেয়ারম্যানের সকল দাপ্তরিক কাজের জন্য সেক্রেটারি থাকার পরও নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মীকে দিয়েই আর্জি লেখানো হয়। তারপর শুরু হয় সালিশ বানিজ্যের ১ম পর্বের খেলা।

নোটিশ প্রাপ্ত বাদীপক্ষ পরিষদে উপস্থিত হলে, চেয়ারম্যানের উপস্হিতিতে কথিত মাতব্বরা বাদী পক্ষকে কথার চালাচালিতে মানষিক ভাবে বিভ্রান্ত ও বিপর্যস্ত করেন এবং সমস্যা বাড়ন্ত পর্যায়ে নানাবিধ ইস্যু দেখিয়ে ঘুষ খাওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করেন। বিবাদী বাধ্য হয়েই তখন একজন মাতব্বর নিয়োগ করেন আর সেই মাতব্বর টাকা ছাড়া কথাও বলেন না। সেই মাদব্বর তাঁর সাধ্যমত কথা কাটি করেন তার সাথে কেউ কেউ সমর্থন করেন। সমর্থনকারী মিয়াসাব বৃন্দ ঘুষ নেওয়ার অলিখিত চুক্তি করেন। এই উৎকোচের পরিমাণ ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা কখনো ১০০,০০০ টাকাও ছাড়িয়ে যায়। এই লেন দেন ভাগে ভাগে হয়ে থাকে। গোপন কৌশলে চলতে থাকে সালিশ বানিজ্যের অবৈধ কার্যক্রম।

অসংখ্য এমন ভূক্তভোগী আছেন যারা এসব অপকর্মের সাক্ষ্য বহন করছেন । প্রয়োজনবোধে এসব ভুক্তভোগীদের উপস্থিত করানো হবে। চরভাগার নিরীহ জনগন আর কতদিন এভাবে কুচক্রী মহলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে ???

( চলবে )…..

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




মেন্টাল টর্চার সেল শরীয়তপুরের চরভাগা ইউনিয়ন পরিষদ পর্ব – ০১

আপডেট সময় : ১০:৪৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০২২

মেন্টাল টর্চার সেল, চরভাগা ইউনিয়ন পরিষদ পর্ব – ০১

সকালের সংবাদ স্পেশাল:

তৃনমুল সেবার কর্মস্হল ইউনিয়ন পরিষদ। জনসেবার নামে চলে নীরব চান্দাবাজি , ঘুষ, কখনো স্বেচ্ছাচারিতা। আমার আজকের এই লেখাটি সত্যি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। কেউ হয়তোবা বিরাগভাজন হবেন – কেউ ছিঃ ছিঃ করবেন। তাতে আমি মোটেও বিচলিত নই। পরিস্থিতির শিকার হয়েই আজ আমার উপস্হাপনা । সময় বিশেষে সামাজিকতার খাতিরে অনেক সত্য কথা এড়িয়ে যেতে হয়। ঘুষখোর ভিআইপিদের মান সন্মান রক্ষার্থে মুখ বন্ধ রাখতে হয়। আজকে আর সইতে পারলাম না । ব্যথিতচিত্তে আজ থেকে পর্যায়ক্রমে এসব মুখোশধারি বুদ্ধিজীবিদের সামাজিক অবয়ব প্রকাশ করার চেষ্টা চলমান থাকবে…..

ঘটনা – ০১

আজ সকালে ( ০৮.০৩.২২) চরভাগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ বিষয়ে একটি নোটিশ স্হানীয় গ্রাম পুলিশ ইউছুফ হাওলাদার কতৃক আমার হস্তগত হয়েছে । বিষয়টি যথেষ্ট রকমের স্পর্শকাতর ।

অভিযোগকারী – আলি আহমদ ছৈয়াল
পিতার নাম – নেই ।
ঠিকানা – নেই

আশ্চর্যের বিষয় – জমি সংক্রান্ত এমন বেআইনী নোটিশ প্রদানের এখতিয়ার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের আছে কিনা আমার বোধগম্য নয়। একজন অপরিপক্ক লেখক নোটিশটির বিবরণী লিখেছেন এতে কোন সন্দেহ নাই।

ঘটনা – ০২

বর্তমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবীবুর রহমান সিকদার সাহেবের পরিষদ কক্ষে কয়েকজন কুশীলব আছেন। যারা চেয়ারম্যান শীপের ইমেজকে ক্রমশ প্রশ্নবিদ্ধ করে চলেছেন ।

চেয়ারম্যানকে সামনে রেখেই তাঁরা তাঁরাই কথা চালাচালি করেন। নরমাল সমস্যাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আরও জটিল করেন। বাদীপক্ষকে অভিযোগ খন্ডনের কোন সুযোগ না দিয়ে একতরফা রায় প্রদান করেন। এঁরা নিজকে আইনের বিশেষজ্ঞ মনে করেন। একটি বিবাদকে চুলকিয়ে চুলকিয়ে রক্তাক্ত করেন। বাদীপক্ষ অথবা বিবাদী পক্ষকে ভিন্ন ভিন্ন প্রক্রিয়ায় লাভের আশা দেখিয়ে চুষে চুষে নিজের পকেট ভারি করতে থাকেন।

এক পর্যায়ে সমস্যার জটিলতা দেখা দিলে কৌশলে একজন আরেক জনকে দোষারোপ করেন। একসময় বাদী- বিবাদী উভয়কে হয়রানি আর মানষিক চাপে রাখেন। আবার কখনো গ্রাম পুলিশের ভয় দেখিয়ে বাদীকে ধরে আনার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়।

ঘটনা – ০৩

সালিশ বানিজ্যের এমন নির্মমতার শিকার আমি নিজেও। বিগত দিনে আমার সাথে এমন দুইটি বেআইনী ঘটনা করা হয়েছে যা বিস্তারিত জানলে – আপনিও শিউরে উঠবেন।

চেয়ারম্যান ও সহকারী কুশীলবদের মান সন্মান রক্ষার্থে মুখ খুলি নাই। এবার খুলবো। দেখতে চাই – সিন্ডিকেট মহল কত্ত শক্তিশালী ? এ কারণে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের Tag করেছি কমপক্ষে উনাদের নজরে পড়ুক।

ঘটনা – ০৪

স্মরণ করিয়ে দিতে চাই —-

মাননীয় উপমন্ত্রী জননেতা একেএম এনামুল হক শামীম ভাইয়ের সুস্পষ্টভাবে মিটিংয়ে নির্দেশনা দিয়েছিলেন ” জমি জমা সংক্রান্ত কোন বিচার সালিশ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে করা যাবে না – তিনি এলাকার ঘুষ গ্রহণকারি মাতবরদের চিন্হিত করে তাদের প্রবেশধিকার নিষিদ্ধ করেছিলেন “। এই নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে চেয়ারম্যানকে পুঁজি করে নীরবে নিভৃতে কতিপয় মাতব্বর নিরীহগোছের জনগণের রক্ত চুষে সালিশ বানিজ্য করে চলেছেন – এই মানষিক নির্যাতনের শেষ কোথায় ?

ঘটনা – ০৫

যেভাবে সালিশ বানিজ্য শুরু হয় —-

চেয়ারম্যান সাহেবের শারীরিক অসুস্থতা ও বিচার বিশ্লেষণ করার অক্ষমতার সুযোগ নিয়ে একাধিক মাতব্বরের নেপথ্যে ইশারায় – বিবাদীর বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানের নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মীকে ১০০ – ৫০০ টাকা খরচ দিয়ে আর্জি লিখানো হয়। অতঃপর গ্রাম পুলিশকে ১০০/ ২০০ টাকা দিয়ে বিবাদীর বাড়িতে নোটিশ পাঠানো হয়। চেয়ারম্যানের সকল দাপ্তরিক কাজের জন্য সেক্রেটারি থাকার পরও নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মীকে দিয়েই আর্জি লেখানো হয়। তারপর শুরু হয় সালিশ বানিজ্যের ১ম পর্বের খেলা।

নোটিশ প্রাপ্ত বাদীপক্ষ পরিষদে উপস্থিত হলে, চেয়ারম্যানের উপস্হিতিতে কথিত মাতব্বরা বাদী পক্ষকে কথার চালাচালিতে মানষিক ভাবে বিভ্রান্ত ও বিপর্যস্ত করেন এবং সমস্যা বাড়ন্ত পর্যায়ে নানাবিধ ইস্যু দেখিয়ে ঘুষ খাওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করেন। বিবাদী বাধ্য হয়েই তখন একজন মাতব্বর নিয়োগ করেন আর সেই মাতব্বর টাকা ছাড়া কথাও বলেন না। সেই মাদব্বর তাঁর সাধ্যমত কথা কাটি করেন তার সাথে কেউ কেউ সমর্থন করেন। সমর্থনকারী মিয়াসাব বৃন্দ ঘুষ নেওয়ার অলিখিত চুক্তি করেন। এই উৎকোচের পরিমাণ ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা কখনো ১০০,০০০ টাকাও ছাড়িয়ে যায়। এই লেন দেন ভাগে ভাগে হয়ে থাকে। গোপন কৌশলে চলতে থাকে সালিশ বানিজ্যের অবৈধ কার্যক্রম।

অসংখ্য এমন ভূক্তভোগী আছেন যারা এসব অপকর্মের সাক্ষ্য বহন করছেন । প্রয়োজনবোধে এসব ভুক্তভোগীদের উপস্থিত করানো হবে। চরভাগার নিরীহ জনগন আর কতদিন এভাবে কুচক্রী মহলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে ???

( চলবে )…..