ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ঐতিহ্যবাহী সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির কমিটি গঠন Logo চেয়ারম্যানের আহ্লাদে বেপরোয়া বিআইডব্লিউটিএ‘র কর্মচারি পান্না বিশ্বাস! Logo রাজউকে বদলী ও পদায়নে ভয়ংকর দুর্নীতি ফাঁস: নেপথ্য নায়ক প্রধান প্রকৌশলী  Logo কুবির শেখ হাসিনা হলের গ্যাস লিক, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা Logo ইন্টার্ন চিকিৎসকের হাত-পা ভেঙে দিলেন সহকর্মীরা Logo ঐতিহ্যবাহী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে অফিসার্স কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত  Logo একজন মমতাময়ী মায়ের উদাহরণ শাবির প্রাধ্যক্ষ জোবেদা কনক Logo বাংলা বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান ড. শামসুজ্জামান মিলকী Logo মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তি ও উদ্যোক্তা তৈরীতে ভূমিকা রাখবেঃ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক  Logo কুবিতে প্রক্টরের সামনে সহকারী প্রক্টরকে মারতে তেড়ে গেলেন ২ নেতা




মজলুম জননেতার ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী আজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ ২৯ বার পড়া হয়েছে

 

আজ ১২ ডিসেম্বর, আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী। ১৮৮০ সালের এই দিনে সিরাজগঞ্জ জেলার ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তারা বাবার নাম হাজী শরাফত আলী ও মায়ের নাম মজিরন বিবি।

মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী মক্তব হতে শিক্ষা গ্রহণ করে কিছুদিন মক্তবেই শিক্ষকতা করেন। ১৮৯৭ সালে পীর সৈয়দ নাসিরুদ্দীনের সঙ্গে আসাম যান। এরপর ইসালামিক শিক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯০৭ সালে দেওবন্দ যান তিনি। দুই বছর সেখানে পড়াশুনার পর আসামে ফিরে আসেন। ১৯১৭ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ময়মনসিংহ সফরে আসলে তার ভাষণ শুনে ভাসানী অনুপ্রাণিত হন। ১৯১৯ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন এবং খেলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নেয়ায় দশ মাস কারাভোগ করেন। ১৯২৩ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন স্বরাজ্য পার্টি গঠন করলে ভাসানী সেই দল সংগঠিত করার ব্যাপারে ভূমিকা রাখেন।

মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৯২৬ সালে আসামে প্রথম কৃষক-প্রজা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটান। ১৯২৯-এ আসামের ধুবড়ী জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাসান চরে প্রথম কৃষক সম্মেলন করেন। এখান থেকে তার নাম রাখা হয় ‘ভাসানীর মাওলানা’। এরপর থেকে তার নামের শেষে ভাসানী শব্দ যুক্ত হয়।

১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এদিকে মজলুম জননেতার ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এরমধ্যে রয়েছে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা সকাল সোয়া ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মমরহুমেরর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মাজার জিয়ারত। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




মজলুম জননেতার ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী আজ

আপডেট সময় : ১১:৩৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

 

আজ ১২ ডিসেম্বর, আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী। ১৮৮০ সালের এই দিনে সিরাজগঞ্জ জেলার ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তারা বাবার নাম হাজী শরাফত আলী ও মায়ের নাম মজিরন বিবি।

মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী মক্তব হতে শিক্ষা গ্রহণ করে কিছুদিন মক্তবেই শিক্ষকতা করেন। ১৮৯৭ সালে পীর সৈয়দ নাসিরুদ্দীনের সঙ্গে আসাম যান। এরপর ইসালামিক শিক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯০৭ সালে দেওবন্দ যান তিনি। দুই বছর সেখানে পড়াশুনার পর আসামে ফিরে আসেন। ১৯১৭ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ময়মনসিংহ সফরে আসলে তার ভাষণ শুনে ভাসানী অনুপ্রাণিত হন। ১৯১৯ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন এবং খেলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নেয়ায় দশ মাস কারাভোগ করেন। ১৯২৩ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন স্বরাজ্য পার্টি গঠন করলে ভাসানী সেই দল সংগঠিত করার ব্যাপারে ভূমিকা রাখেন।

মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৯২৬ সালে আসামে প্রথম কৃষক-প্রজা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটান। ১৯২৯-এ আসামের ধুবড়ী জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাসান চরে প্রথম কৃষক সম্মেলন করেন। এখান থেকে তার নাম রাখা হয় ‘ভাসানীর মাওলানা’। এরপর থেকে তার নামের শেষে ভাসানী শব্দ যুক্ত হয়।

১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এদিকে মজলুম জননেতার ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এরমধ্যে রয়েছে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা সকাল সোয়া ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মমরহুমেরর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মাজার জিয়ারত। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।