ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo পরিবেশের জন্য ই-বর্জ্য হুমকি স্বরূপ ; তা উত্তরণের উপায় Logo বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ Logo ঐতিহ্যবাহী সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির কমিটি গঠন Logo চেয়ারম্যানের আহ্লাদে বেপরোয়া বিআইডব্লিউটিএ‘র কর্মচারি পান্না বিশ্বাস! Logo রাজউকে বদলী ও পদায়নে ভয়ংকর দুর্নীতি ফাঁস: নেপথ্য নায়ক প্রধান প্রকৌশলী  Logo কুবির শেখ হাসিনা হলের গ্যাস লিক, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা Logo ইন্টার্ন চিকিৎসকের হাত-পা ভেঙে দিলেন সহকর্মীরা Logo ঐতিহ্যবাহী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে অফিসার্স কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত  Logo একজন মমতাময়ী মায়ের উদাহরণ শাবির প্রাধ্যক্ষ জোবেদা কনক Logo বাংলা বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান ড. শামসুজ্জামান মিলকী




বিএমইটি ও এজেন্সীর মাধ্যমে ভুয়া কাগজে মানব পাচারের হিড়িক!

নিজস্ব প্রতিবেদক;
  • আপডেট সময় : ০৪:০৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২ ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

নিয়মের প্রশাসন বিএমইটি কর্তৃক চলছে ভয়ংকর অনিয়ম। সক্রিয় বেশকিছু অসাধু মানবপাচার সিন্ডিকেট। দেশের মানব পাচার এসব সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত রয়েছে বেশ কয়েকটি রিস্ফুটিং এজেন্সি সহ এই সেক্টর দেখভালের দায়িত্বে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের খোদ কর্মকর্তারাও। সম্প্রতি এইচপি ওভারসিস (লাইসেন্স নাম্বার ১৩৮৮) নামে একটি রিক্রুট এজেন্সির বেশ কিছু ভুয়া ডকুমেন্টস ও জাল জালিয়াতি ধরা পড়ায় বিষয়টি নিয়ে নড়ে চড়ে বসেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এইচপি ওভারসিসের স্বত্বাধিকারী প্রবীর বণিক গেল নভেম্বরে সপ্তাহ দুবাই বহির্গমন ছাড়পত্রের জন্য একটি ফাইল সাবমিট করেছিলেন। যেখানে ২০ টি ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নথি উপস্থাপন করেন।
উক্ত ভুয়া সার্টিফিকেটের ফাইলে স্বাক্ষর করেন বিএমইটির সহকারি পরিচালক ও উপপরিচালক। কিন্তু পরিচালকের টেবিলে গিয়ে আটকে যায় ভুয়া কাগজপত্র সংযুক্ত ফাইলটি। যাচাই বাছাই করে সকল কাগজপত্র ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় উক্ত ফাইল মহাপরিচালক বাতিল করে। সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যমূলক ব্যবস্থা করানোর জন্য মন্ত্রণালয় সুপারিশ প্রেরণ করেন। এছাড়া ভুয়া পাইলে সরকারি দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন।

উক্ত ভুয়া জালিয়াতি ফাইলে সাইন করা উপ-পরিচালক সকলের সংবাদের সঙ্গে স্বীকার করেন বিষয়টি। তিনি বলেন, ইন্টারনেট দুর্বলতার কারণে ঐদিন অনলাইনে চেক করা সম্ভব হয়নি। তাই সরল বিশ্বাসে আমি ফাইলটিতে স্বাক্ষর করি কিন্তু তারা এভাবে প্রতারণা করবেন সেটি আমার কল্পনাতেও ছিল না।

এসব জালজালিয়াতির কাগজপত্র সিন্ডিকেট ধরা পরার পর সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে আর চাঞ্চল্যকর তথ্য। ডকুমেন্টস জালিয়াতি করে মানব পাচারের সাথে জড়িত রিক্রুট এজেন্সির স্বত্বাধিকারী প্রবীর বনীকের বিরুদ্ধে মানব পাচারের মাধ্যমে অস্বাভাবিক অবৈধ অর্থ অর্জন করে ভারতে পাচারের চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য মিলেছে। নাম প্রকাশে অনিশ্চিত একটি সূত্র জানায়, রাজধানীর চিটাগাং রোডে নিয়মিত বিলাসবহুল আটতলা বাড়ি ছাড়াও ভারতে পাছারকৃত অর্থে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। তার পরিবারের অনেকেই ভারতে বসবাস করেন এবং তার সম্পদের দেখভাল করেন। এছাড়াও রাজধানীর জিনাত টাওয়রে নিজস্ব দুটি ফ্ল্যাটে দুইটি অফিস, অফিসের নিচে স্মার্ট কেয়ার সেলুন। এইচপি ওভারসিজ ব্যতীত আরও তিনটি রিক্রুট এজেন্সির মালিক রয়েছেন এই প্রবীর বণিক।

চলবে…..

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




বিএমইটি ও এজেন্সীর মাধ্যমে ভুয়া কাগজে মানব পাচারের হিড়িক!

আপডেট সময় : ০৪:০৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

নিয়মের প্রশাসন বিএমইটি কর্তৃক চলছে ভয়ংকর অনিয়ম। সক্রিয় বেশকিছু অসাধু মানবপাচার সিন্ডিকেট। দেশের মানব পাচার এসব সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত রয়েছে বেশ কয়েকটি রিস্ফুটিং এজেন্সি সহ এই সেক্টর দেখভালের দায়িত্বে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের খোদ কর্মকর্তারাও। সম্প্রতি এইচপি ওভারসিস (লাইসেন্স নাম্বার ১৩৮৮) নামে একটি রিক্রুট এজেন্সির বেশ কিছু ভুয়া ডকুমেন্টস ও জাল জালিয়াতি ধরা পড়ায় বিষয়টি নিয়ে নড়ে চড়ে বসেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এইচপি ওভারসিসের স্বত্বাধিকারী প্রবীর বণিক গেল নভেম্বরে সপ্তাহ দুবাই বহির্গমন ছাড়পত্রের জন্য একটি ফাইল সাবমিট করেছিলেন। যেখানে ২০ টি ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নথি উপস্থাপন করেন।
উক্ত ভুয়া সার্টিফিকেটের ফাইলে স্বাক্ষর করেন বিএমইটির সহকারি পরিচালক ও উপপরিচালক। কিন্তু পরিচালকের টেবিলে গিয়ে আটকে যায় ভুয়া কাগজপত্র সংযুক্ত ফাইলটি। যাচাই বাছাই করে সকল কাগজপত্র ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় উক্ত ফাইল মহাপরিচালক বাতিল করে। সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যমূলক ব্যবস্থা করানোর জন্য মন্ত্রণালয় সুপারিশ প্রেরণ করেন। এছাড়া ভুয়া পাইলে সরকারি দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন।

উক্ত ভুয়া জালিয়াতি ফাইলে সাইন করা উপ-পরিচালক সকলের সংবাদের সঙ্গে স্বীকার করেন বিষয়টি। তিনি বলেন, ইন্টারনেট দুর্বলতার কারণে ঐদিন অনলাইনে চেক করা সম্ভব হয়নি। তাই সরল বিশ্বাসে আমি ফাইলটিতে স্বাক্ষর করি কিন্তু তারা এভাবে প্রতারণা করবেন সেটি আমার কল্পনাতেও ছিল না।

এসব জালজালিয়াতির কাগজপত্র সিন্ডিকেট ধরা পরার পর সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে আর চাঞ্চল্যকর তথ্য। ডকুমেন্টস জালিয়াতি করে মানব পাচারের সাথে জড়িত রিক্রুট এজেন্সির স্বত্বাধিকারী প্রবীর বনীকের বিরুদ্ধে মানব পাচারের মাধ্যমে অস্বাভাবিক অবৈধ অর্থ অর্জন করে ভারতে পাচারের চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য মিলেছে। নাম প্রকাশে অনিশ্চিত একটি সূত্র জানায়, রাজধানীর চিটাগাং রোডে নিয়মিত বিলাসবহুল আটতলা বাড়ি ছাড়াও ভারতে পাছারকৃত অর্থে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। তার পরিবারের অনেকেই ভারতে বসবাস করেন এবং তার সম্পদের দেখভাল করেন। এছাড়াও রাজধানীর জিনাত টাওয়রে নিজস্ব দুটি ফ্ল্যাটে দুইটি অফিস, অফিসের নিচে স্মার্ট কেয়ার সেলুন। এইচপি ওভারসিজ ব্যতীত আরও তিনটি রিক্রুট এজেন্সির মালিক রয়েছেন এই প্রবীর বণিক।

চলবে…..