ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মির্জাগঞ্জ এলজিইডি প্রকৌশলী আশিকুরের ঘুস-দুর্নীতি! Logo দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি ; বিপাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা Logo পরিবেশের জন্য ই-বর্জ্য হুমকি স্বরূপ ; তা উত্তরণের উপায় Logo বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ Logo ঐতিহ্যবাহী সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির কমিটি গঠন Logo চেয়ারম্যানের আহ্লাদে বেপরোয়া বিআইডব্লিউটিএ‘র কর্মচারি পান্না বিশ্বাস! Logo রাজউকে বদলী ও পদায়নে ভয়ংকর দুর্নীতি ফাঁস: নেপথ্য নায়ক প্রধান প্রকৌশলী  Logo কুবির শেখ হাসিনা হলের গ্যাস লিক, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা Logo ইন্টার্ন চিকিৎসকের হাত-পা ভেঙে দিলেন সহকর্মীরা Logo ঐতিহ্যবাহী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে অফিসার্স কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত 




জানুয়ারিতে আরও তিনটি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা আবহাওয়া অধিপ্তরের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৩ ৭৭ বার পড়া হয়েছে

জানুয়ারি বছরের শীতলতম মাস হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এবার ডিসেম্বরের মতো এ মাসেও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। চলতি মাসে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে। তবে এ মাসে শৈত্যপ্রবাহ তীব্র্র আকার ধারণ বা তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামার আশঙ্কা নেই বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এই পূর্বাভাস দিয়েছে।

রোববার (১ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঢাকার ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কমিটির নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।

আজিজুর রহমান বলেন, জানুয়ারি মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে দেশে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে একটি মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে।

জানুয়ারি মাসে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদ-নদী অববাহিকায় মাঝারি বা ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা বা মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশা পরিস্থিতি কখনো কখনো দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান আজিজুর রহমান।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ডিসেম্বর মাসের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে সার্বিকভাবে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৬ দশমিক ৬ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে।

সদ্য শেষ হওয়া মাসে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছিল। এর একটি ঘূর্ণিঝড় ‘ম্যানদৌস’-এ পরিণত হয়। ডিসেম্বরে একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ৫০ মিলিমিটার (সীতাকুন্ড, ২৭ ডিসেম্বর) রেকর্ড করা হয়। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস (বদলগাছি, ২৩ ডিসেম্বর) রেকর্ড করা হয় বলে পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ডিসেম্বরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি এবং সারাদেশে গড় তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




জানুয়ারিতে আরও তিনটি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা আবহাওয়া অধিপ্তরের

আপডেট সময় : ০৮:১৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৩

জানুয়ারি বছরের শীতলতম মাস হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এবার ডিসেম্বরের মতো এ মাসেও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। চলতি মাসে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে। তবে এ মাসে শৈত্যপ্রবাহ তীব্র্র আকার ধারণ বা তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামার আশঙ্কা নেই বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এই পূর্বাভাস দিয়েছে।

রোববার (১ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঢাকার ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কমিটির নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।

আজিজুর রহমান বলেন, জানুয়ারি মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে দেশে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে একটি মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে।

জানুয়ারি মাসে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদ-নদী অববাহিকায় মাঝারি বা ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা বা মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশা পরিস্থিতি কখনো কখনো দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান আজিজুর রহমান।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ডিসেম্বর মাসের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে সার্বিকভাবে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৬ দশমিক ৬ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে।

সদ্য শেষ হওয়া মাসে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছিল। এর একটি ঘূর্ণিঝড় ‘ম্যানদৌস’-এ পরিণত হয়। ডিসেম্বরে একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ৫০ মিলিমিটার (সীতাকুন্ড, ২৭ ডিসেম্বর) রেকর্ড করা হয়। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস (বদলগাছি, ২৩ ডিসেম্বর) রেকর্ড করা হয় বলে পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ডিসেম্বরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি এবং সারাদেশে গড় তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।