• ১৬ই এপ্রিল ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

‘ফণী’ আতঙ্কে ১০ লাখ রোহিঙ্গাঃ প্রাণহানির আশঙ্কা

সকালের সংবাদ ডেস্ক;
প্রকাশিত মে ৪, ২০১৯, ০০:০০ পূর্বাহ্ণ
‘ফণী’ আতঙ্কে ১০ লাখ রোহিঙ্গাঃ প্রাণহানির আশঙ্কা

মধ্যরাতের পরে যে কোনো সময় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ফণী। আর এ সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে কক্সবাজারে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মাঝেও। ঘূর্ণিঝড় ফণী আঘাত হানলে ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের পরিণতি কী হবে এ নিয়ে চিন্তিত বিশাল এই জনগোষ্টি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একাধিক বাসিন্দার সাথে কথা বলে জানা গেছে, রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অধিকাংশেরই ঝুঁপড়িঘরগুলো পাহাড়ের চুঁড়ায়, ঢালুতে এবং পাদদেশে অবস্থিত। আর এগুলো বাতাসের গতিবেগে মুহূর্তেই উড়ে যেতে পারে। তাছাড়া পাহাড়ধ্বস হলে বড় ধরণের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, স্থানীয়দের পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ ফণী মোকাবেলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ পূর্ববর্তী সময়ে রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের ভেতরে অবস্থিত মসজিদ, স্কুল ও আশপাশের স্থানীয় সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে অবস্থান নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এ ছাড়া দুর্যোগে অবহেলা না করে ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার জন্য মাইকিংসহ নানাভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশের ঢোকার পর ফণী কুষ্টিয়া, পাবনা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, রংপুর, দিনাজপুর হয়ে শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ ভারতের মেঘালয়ে ঢুকে যাবে।

ফণী বাংলাদেশে ঢোকার পর বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। সাথে থাকবে দমকা ঝড়ো বাতাস। তবে যত সময় যাবে, বৃষ্টি এবং বাতাসের তীব্রতা কমতে থাকবে।

সর্বশেষ রোববার নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।