• ২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

খুলে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান : কি হবে করোনা টীকার?

সকালের সংবাদ ডেস্ক;
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১, ১৮:১৯ অপরাহ্ণ
খুলে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান : কি হবে করোনা টীকার?

আসমা উল হুসনা, ঢাকা: করোনা অতিমারীর পর দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো খুলে দেয়ার পরিবেশ পরিস্থিতি আছে কি না তা পর্যালোচনা করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী । আজ সোমবার ২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২১, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের ভারচুরাল সভায় এ নির্দেশ দেন তিনি। মন্ত্রিসভার এই বৈঠক শেষে আজ (সোমবার) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে জানান যে, আগামী ৫ থেকে ৬ দিনের মধ্যেই আন্তমন্ত্রনালয় সভা করে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে ।

মন্ত্রিপরিষদের ভারচুয়াল সভার পর, আজ সোমবার (২২শে ফেব্রুয়ারি,২১) শিক্ষামন্ত্রী দিপুমনি এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আগামী ১৭ ই মে.২১ থেকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর হল খুলে দেয়ার ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে ২৪ শে, মে ২০২১ অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ক্লাস শুরু হবে বলেও জানানো হয়।

এদিকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন এবং আজ সোমবারেও তা চলমান রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের শিক্ষার্থীরা হল খোলার দাবিতে তালা ভেঙে প্রবেশ করেছেন।
সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা হলের তালা ভেঙে প্রবেশ করেন। এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হল খোলার দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়েও সোমবার শিক্ষার্থীরা হল খোলার দাবিতে আন্দোলন করছেন।

কোভিড ১৯,এর কারণে গতবছর ১৭ ই মার্চ ২০২০ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে এবং সবশেষে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী নতুন নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত আগামী ২৮ শে ফেব্রুয়ারি অবধি বন্ধ কার্যকরী থাকছে।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার আগে সকল শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কে টিকা নিতে হবে এমনটা জানানো হইয়েছে, এবিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

উল্ল্যেখ্য যদিও এখনো করোনাটিকা নেয়ার ক্ষেত্রে চল্লিশ বছর বয়সীরাই “প্রাধান্য তালিকা”য় রয়েছেন।