গৃহবধূর শ্লীলতাহানি : থানায় ঢুকে অভিযুক্তকে মারধর

সকালের সংবাদ ডেস্ক;সকালের সংবাদ ডেস্ক;
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ, ১২ জানুয়ারি ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক; বরিশালের উজিরপুর থানায় পুলিশের হেফাজতে থাকা যুবককে মারধর করেছে শ্লীলতাহানির শিকার এক গৃহবধূর স্বজনরা। এ সময় তাদের বাঁধা দিতে গেলে দুই উপরিদশর্ক (এসআই) ও এক সহকারী উপপরিদর্শক মারধরের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- উজিরপুর থানার এসআই সুদেব ও এসআই মো. মাহাবুব এবং এএসআই মো. হাসান। তাদেরকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার দুপুরে ইচলাদী বাসস্ট্যান্ডে আজিজ ফকিরের মুদি দোকানে আলু কিনতে যান মুন্ডপাশা গ্রামের এক গৃহবধূ। আলুর দাম বেশি চাওয়ায় তার সঙ্গে মুদি দোকানি আজিজ ফকিরের ঝগড়া হয়। এ সময় তাকে ধাক্কা দিয়ে দোকানের সামনে থেকে তাড়িয়ে দেন আজিজ ফকির ও তার ছেলে নোমান ফকির অনিক। ওই গৃহবধূ চলে যাওয়ার সময় নোমান ফকির তাকে অশালীন ভাষায় গালমন্দ করেন। তার বাবার বাড়ি ও শ্বশুর বাড়ি একই গ্রামে। গ্রামে গিয়ে স্বজনদের এ ঘটনা জানান তিনি। এরপর ওউ গৃহবধূর দুই ভাই, স্বামী ও দুই প্রতিবেশীসহ ১২-১৫ জনের একটি দল আজিজ ফকিরের মুদি দোকানে হামলা চালায়। এ সময় অন্য ব্যবসায়ীরা পুলিশকে খবর দিলে নোমান ফকিরকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের পেছনে পেছনে ওই গৃহবধূর ভাই, স্বামী ও প্রতিবেশীসহ ৬-৭ জন থানায় যান। পরে তারা থানায় ঢুকে ফের অনিকের ওপর হামলা চালান। এ সময় এসআই সুদেব ও এসআই মো. মাহাবুব এবং এএসআই মো. হাসান বাধা দিতে গেলে তাদেরকেও মারধর করেন ওই গৃহবধূর স্বজনরা । পরে হামলাকারী ৪ জনকে ধরে থানা হাজতে আটকে রাখে পুলিশ।

উজিরপুর থানা পুলিশের ওসি জিয়াউল আহসান জানান, থানায় ঢুকে আসামিকে মারধরের ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। অন্যদিকে ওই গৃহবধূকে টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানির অভিযোগে নোমান ফকির অনিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :