রাইড শেয়ারিং এর মুখোশের আড়ালে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রম!

সকালের সংবাদ ডেস্ক;সকালের সংবাদ ডেস্ক;
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:২১ অপরাহ্ণ, ২০ অক্টোবর ২০২০

এইচ আর শফিক: পাঠাও উবার রাইড শেয়ারিং এর নামে রাজধানীজুড়ে কন্টাক্ট ট্রিপ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে যানজটের কারণ হিসেবে চিহ্নিত এখন। রাইড শেয়ারিং এর নামে এসব লাখো মোটরবাইকের লাগামহীন দৌরাত্ম্য রাজধানীবাসীর চক্ষুশূল এখন।

রাইড শেয়ারিং এর নীতিমালায় সকল মোটরবাইক নিবন্ধিত হওয়ার কথা থাকলেও রাজধানীজুড়ে লাখো মোটরসাইকেল মোড়ে মোড়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যানজট সৃষ্টি করে অবস্থান করা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। আর এসব মটর বাইকারদের মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে আছে অসংখ্য চাঁদাবাজ চিহ্নিত সন্ত্রাসী এমনটাই জানা গেছে বিভিন্ন সূত্র মাধ্যমে। অথচ আশ্চর্যের বিষয় প্রশাসনের নাকের ডগায় নীতিমালার আওতায় নয় এমন লাখো মোটরসাইকেল ঘুরে বেড়ালেও তৎপরতার কোন চিহ্ন চোখে পড়ছেনা রাজধানীতে।
রাজধানীর বাড্ডায় ৭০ বছরের বৃদ্ধ আজগর আলী একজন সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, তিনি বলেন বাজার করার জন্য রাস্তায় বের হয়েছিলাম কিন্তু মোড়ে মোড়ে এত মোটরসাইকেল হাঁটার জায়গা নেই। মোটরসাইকেল প্রাইভেট বাহন হলেও রাজধানীজুড়ে এমন ভাড়ায় চালিত বাইক ও বাইকারের সংখ্যা চোখে পড়ার মতো।
আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে এসব মোটরসাইকেল ভাড়ায় চালিত হওয়ার নেপথ্যে মাদক সরবরাহের একটি নিরাপদ রুট হিসেবে চিহ্নিত করেছে অনেকেই। বিগত দিনে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময়ে এমন আশঙ্কার প্রতিফলন ঘটেছে উল্লেখযোগ্যহারে মাদক আটক হওয়ার কারণে।
রাইট শেয়ারিং এর নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে যেসব মোটরসাইকেল রাজধানীজুড়ে অহরহ কন্টাক্ট ট্রিপে চলমান এসব বাইকারদের মধ্যে অনেকেই মাদক ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে বিভিন্ন সূত্রে। এছাড়াও সারা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা রাইড শেয়ারিং এর মুখোশে লুকিয়ে আছে রাজধানীতে।
তাই দ্রুত এই এসব বাইকার ও মোটরসাইকেলের চালকদের পরিচয় নিশ্চিত জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন :