দলের দুঃসময়ের নেতারাই স্বেচ্ছাসেবক লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনায়

সকালের সংবাদ ডেস্ক;সকালের সংবাদ ডেস্ক;
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:৩৪ অপরাহ্ণ, ১৩ নভেম্বর ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টারঃ দলের দুঃসময়ের নেতারাই আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন নেতৃত্বে আসবেন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্টত বলেছেন ক্যাসিনো, টেন্ডারবাজী, দলীয় পদ পদবী বিক্রি করে দলবাজি, ভূমিদস্যুতা, দখলবাজসহ দূর্নীতির সাথে জড়িয়ে কেউই স্বেচ্ছাসেবক লীগে স্থান পাবে না।

আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড স্পর্টত বলেছেন, দলের দুঃসময়ে যারা জীবন বাজি রেখে নেত্রী তথা দলের জন্য কাজ করেছেন, তারাই দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবেন।
দলীয় প্রধান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুদ্বি অভিযানের মূল প্রভাব পরছে আওয়ামী লীগ সহ সহযোগী স্ংগঠন সমুহে। শুদ্বি অভিযানে ক্নিন ইমেজ নেতা কর্মীদের কদর বেড়েছে সব কটি সহযোগী সংগঠনে। প্রাধন মন্ত্রী নিজেই ক্লিন ইমেজের নেতাদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে।
যারা ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতি চুকিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতি করে সততা ও সাহসীকতার সহিত দ্বায়ীত্ব পালন করে অাসছেন। রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজদারী এব্য ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের সমন্বয় পুরানোদের অভিজ্ঞতা ও নতুনদের উদ্যোম সমন্বয় করে নতুন অাঙ্গীকে স্বেচ্ছাসেবক লীগকে সাজানো হব।
১৬ নভেম্বর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলন। সেই সাথে ১১ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ১২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের তৃতীয় বার্ষিক সম্মেলন। যতই দিন যাচ্ছে ততোই সম্মেলন জমে উঠছে। সারা দেশে দফায় দফায় সভা সমাবেশ, বর্ধিত সভা করছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা কর্মীরা। প্রচার উপ কমিটি সদস্য সচিব শামীম শাহরিয়ার শামীম জানন, সারাদেশে পোস্টার বিলিবন্টন করা হয়েছে। দাওয়াত কার্ড, ডেলিগেট কার্ড, কাউন্সিলার কার্ড ছাড়া হয়েছে। ২/১ দিনের মধ্যে তা বন্টন করা হয়েছে।
সহ প্রচার সম্পাদক ওবায়দুল হক খান জানান, সেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলন সারা দেশের স্বেচ্ছাসেবক লীগের লাখ লাখ নেতা কর্মীদের মধ্যে ঈদের অানন্দ বইছে। সাধারন সসম্পাদক পদ প্রত্যাশী ওবায়দুল হক খান জানান, ” ১/১১ এর তথাকথিত সেনা শাসিত তত্বাবধায়ক সরকারের দুঃশাসনের সময়ে আমার জীবন বাজি রেখে অামার প্রান প্রিয় নেতা কৃষিবিদ অাফম বাহাউদ্দীন নাছিম ভাইয়ের পরামর্শ ও অনুপ্রেরণায় জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তির জন্য ৮৫৫ জন সাংবাদিকের গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে, জীবন বাজি রেখে ছদ্মবেশ তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জমা দিয়ে ছিলাম। ঐ সময় এ সংবাদটি দেশী বিদেশি জাতীয় ও আন্তজাতিক সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থায় গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়। অামি দৃঢ়তার সাথে বিশ্বাস করি, দুঃসময়ের কর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে এবং অামি অামার যথাযথ মূল্যায়ন পাবো ইনশাআল্লাহ। অাওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি পদে সংগঠনের সিনিয়র সহ- সভাপতি সম্মেলন প্রস্ততি কমিটির অাহবায়ক নির্মল রঞ্জন গুহ, সহ সভাপতি মতিউর রহমান মতি, আফজাল বাবু, মুজিবুর রহমান স্বপন, মু.আব্দুল রাজ্জাকের নাম অালোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক পদে যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও সম্মেলন প্রস্ততি কমিটির সদস্য সচিব মেজবাউ হোসেন সাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাত সাকিব বাদশা, একেএম আজিম, সোহেল রানা টিপু, খায়রুল হাসান জুয়েল, অাব্দুল অালীম, সহ প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক নেতা ওবায়দুল হক খান, নাফিউল করিম নাফা, কৃষিবিদ মাহবুবুল হাসান, রফিকুল ইসলাম বিটু, অাব্দুল্লাহ অাল সায়েম এর নাম আলোচনায় রয়েছে।
এদের মধ্য থেকে যারা জীবন বাজি রেখে দলের দুঃসময়ে দলের পক্ষে কাজ করেছেন, ক্নিন ইমেজদারি নেতারাই গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বিশেষজ্ঞ জানান, কৃষক লীগের কমিটিতে ক্লিন ইমেজের সৎ সাহসী দুঃসময়ে নেতারা মুলায়ন পেয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবক লীগেও এর প্রতিফলন ঘটতে পারে। তাতে বিশ্বয়ের কিছুই না।

আপনার মতামত লিখুন :